kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ আগস্ট ২০১৯। ৮ ভাদ্র ১৪২৬। ২১ জিলহজ ১৪৪০

আইইউবিএটি-তে রবীন্দ্র-নজরুল জন্ম উৎসব

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ জুলাই, ২০১৯ ১৯:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আইইউবিএটি-তে রবীন্দ্র-নজরুল জন্ম উৎসব

নাচ, গান, কবিতা আর অভিনয়ের বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে আইইউবিএটি পালন করল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের জয়ন্তী।

গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় আইইউবিএটির ওপেন অডিটোরিয়ামে ‘রবীন্দ্র-নজরুল জন্ম উৎসব’ শিরোনামে এই আনন্দানুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুর রব।

আইইউবিএটির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিনা নার্গিসের তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা এই জমকালো উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। তাদের সংগীতের মূর্ছনায় আবিষ্ট হয়ে উঠে উপস্থিত শ্রোতাবৃন্দ।

শুরুতেই সমবেত কণ্ঠে রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। আইইউবিএটির অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী রাফার 'আনন্দলোক' গানের সাথে সুর মিলিয়ে শ্রোতারাও হারিয়ে গিয়েছিলেন রবীন্দ্র সুরের ভুবনে।

আবারো সমবেত কণ্ঠে নজরুলের জাগরনের গান ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ পরিবেশনের মধ্যমে তুলে ধরা হয় আমরা অন্যয়ের কাছে মাথা নত করার জাতি নই।

এরপর রবীন্দ্রনাথের জনপ্রিয় 'মায়াবন বিহারিণী' গানটি পরিবেশন করেন ভারতীয় নাগরিক  আইইউবিএটির শিক্ষক দম্পত্তি অধ্যাপক ড. সৌমেন্দ্র সাহা এবং অধ্যাপক ড. শ্রীলেখা সাহা। 'ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায়' গানের সাথে কম্পিউটার ইঞ্জিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী রুবিনার একক নৃত্য দোলা দেয় উপস্থিত দর্শক শ্রোতাদের মনে।

অনুষ্ঠানটি আরো বর্ণিল হয়ে উঠে সিভিল ইঞ্জিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী রায়নার গাওয়া রবীন্দ্র সংগীত 'আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে তোমায় পাইনি' এবং সুমাইয়া, হুমায়ারা, কারিভা, স্বর্ণার নৃত্যের ছন্দে। এরপর একে একে গান ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন উদয়, নাবিলসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা।

রবীন্দ্র-নজরুল জন্ম উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্টার, চেয়ার, কো-অর্ডিনেটর, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা