kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

'প্রিয়া সাহার বিষয়ে রয়েসয়ে এগোতে চায় সরকার'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ জুলাই, ২০১৯ ১৩:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'প্রিয়া সাহার বিষয়ে রয়েসয়ে এগোতে চায় সরকার'

'মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগকারী প্রিয়া সাহার বক্তব্যের পেছনে কারও হাত আছে কিনা- তা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর বিষয়ে রয়েসয়ে এগোতে চায় সরকার।'

সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আজ সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মশা মারতে আমরা কামান দাগাতে চাই না। প্রিয়া সাহার বিষয়ে আমরা রয়েসয়ে এগোতে চাই। তবে বিষয়টি আমরা তুচ্ছ মনে করছি না। তিনি বলেন, প্রিয়া সাহা কার প্ররোচনায় এ মিথ্যা অভিযোগ করেছেন, তার গভীরে আমরা যাব। তাঁর বক্তব্যের পেছনে অন্য কারও হাত রয়েছে কিনা- দেশে ফেরার পর তাঁকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অবাক হওয়ার বিষয় হলো- প্রিয়া সাহা তার মিথ্যা বক্তব্যের ব্যাপারে অটল রয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে টেনে এনেছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কখনও তিন কোটি ৭০ লাখ গুমের তথ্য দেননি।'

গত ১৬ জুলাই হোয়াইট হাউসে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার ২৭ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে ১৬টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহাও কথা বলার সুযোগ পান।

প্রিয়া সাহা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বলেন, 'আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। বাংলাদেশে তিন কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান নিখোঁজ রয়েছেন। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই।' এরপর বলেন, 'এখন সেখানে এক কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।'

এ নিয়ে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে একপর্যায়ে ট্রাম্প নিজেই সহানুভূতির সঙ্গে এই নারীর সঙ্গে হাত মেলান। প্রিয়া সাহা আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যকার কথোপকথন প্রকাশের পর সমালোচনার ঝড় ওঠে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা