kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২২ আগস্ট ২০১৯। ৭ ভাদ্র ১৪২৬। ২০ জিলহজ ১৪৪০

আইইউবি-তে ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লব’ শীর্ষক সম্মেলন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ জুলাই, ২০১৯ ১৬:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আইইউবি-তে ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লব’ শীর্ষক সম্মেলন

'চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের স্বাক্ষী হতে যাচ্ছে একুশ শতক। এই চতুর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলুশন বা আইআর ৪.০ এর মূল প্রতিপাদ্য হলো ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে সাইবার ফিজিক্যাল সিস্টেমের স্বায়ত্ত্বশাসন সৃষ্টি। বিজ্ঞানের এই সম্পৃক্ততা আধুনিকতা, উন্নয়ন ও সামগ্রিক অগ্রযাত্রার বিষয়গুলিকে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরে'।

রাজধানীর বসুন্ধরায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)-তে এক সম্মেলনে এসব কথা বলেন বক্তারা।

'সোস্যাল সায়েন্সেস ইন দ্যা টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি: সার্ভাইভ্যাল স্ট্র্যাটেজি ফর হিউম্যান কাইন্ড অ্যাড্রেসিং আইআর ৪.০' শীর্ষক এই সম্মেলনের আয়োজন করে আইইউবির স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোস্যাল সায়েন্সেস এর অধীন ডিপার্টমেন্ট অব সোস্যাল সায়েন্সেস অ্যান্ড হিউম্যানিটিস।

সম্মেলনে উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত থেকে বক্তৃতা করেন আইইউবির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এ মতিন চৌধুরী। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য জনাব জাভেদ হোসেন।

‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ’ শীর্ষক বিষয়বস্তু নিয়ে সম্মেলনের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এশিয়ান টাইগার্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইফতি ইসলাম। এ সময় তিনি জানান, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যে উল্লেখযোগ্য হারে অগ্রগতি হচ্ছে তাতে অনেকেই পেশাগত পরিবর্তন আনতে বাধ্য হবেন। অনেক নতুন নতুন চাকরি সৃষ্টি হবে, যার অস্তিত্ত্ব এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়নি। তথ্য ও প্রযুক্তির এই বিশাল অগ্রগতির কারণে একুশ শতক সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে কতটা প্রস্তুত এবং কিভাবে এই বিপ্লব গ্রহণ করে সেটাই বড় চ্যালেঞ্জ বলেও উল্লেখ করেন এ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ।

সম্মেলনে উপস্থিত থেকে আরো বক্তৃতা করেন আইইউবির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য এবং ট্রেজারার জনাব খন্দকার মো. ইফতেখার হায়দার এবং স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোস্যাল সায়েন্সেস এর ভারপ্রাপ্ত ডিন ড. ইমতিয়াজ এ হুসেইন।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ সেশনে গবেষণাভিত্তিক নিবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। দেশের স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, নীতি-নির্ধারক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞরা এই আলোচনায় অংশ নেন এবং নিজ নিজ নিবন্ধ উপস্থাপনের পাশাপাশি আলোচনা করেন। একই সঙ্গে আইইউবির শিক্ষকবৃন্দ বিভিন্ন সেশনে উপস্থিত থেকে কার্যক্রম পরিচালনা ও নিবন্ধ উপস্থাপন করেন।

আইইউবির বিভিন্ন স্কুলের ডিন, শিক্ষক ও প্রশাসনের সিনিয়র কর্মকর্তা, বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন পর্যায়ের আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উচ্চ পর্যায়ের এই সম্মেলনে অংশ নেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা