kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

পা হারানো রাসেলকে ক্ষতিপূরণ, এক সপ্তাহ সময় বাড়ল গ্রিন লাইনের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ জুলাই, ২০১৯ ১৪:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পা হারানো রাসেলকে ক্ষতিপূরণ, এক সপ্তাহ সময় বাড়ল গ্রিন লাইনের

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে বাসচাপায় পা হারানো প্রাইভেটকার চালক রাসেল সরকারকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে মাসিক পাঁচ লাখ টাকা কিস্তি দিতে গ্রিন লাইনের প্রতি দেওয়া আদালতের আদেশ আগামী রবিবারের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে বলেছেন হাইকোর্ট।

রাসেলকে দেওয়া ক্ষতিপূরণের ৫০ লাখ টাকার মধ্যে থেকে গ্রিন লাইন রাসেলকে পাঁচ লাখ টাকা দিয়েছে। মাসিক পাঁচ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণের বাকি টাকা পরিশোধের নির্দেশ ছিল হাই কোর্টের। তবে কিস্তির টাকা প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করে বাস্তবায়ন প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও আর টাকা গ্রিনলাইন কর্তৃপক্ষ দেয়নি রাসেলকে। এ মাসে এক সপ্তাহ বাড়িয়ে আগামী রবিবার পর্যন্ত সময় দিয়েছেন আদালত।

গ্রিন লাইনের নতুন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে বাংলাদেশে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ’র পক্ষে ছিলেন রাফিউল ইসলাম রাফি। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন খোন্দকার শামসুল হক রেজা ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

গত ২৫ জুন এক আদেশে ৫০ লাখ টাকার মধ্যে ক্ষতিপূরণের বাকি ৪৫ লাখ টাকা মাসিক ৫ লাখ টাকা পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে ওই অর্থ রাসেলকে দিয়ে ১৫ তারিখের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

গত বছরের ২৮ এপ্রিল মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারে কথা কাটাকাটির জেরে গ্রিনলাইন পরিবহনের বাসচালক ক্ষিপ্ত হয়ে প্রাইভেটকার চালকের ওপর দিয়েই বাস চালিয়ে দেন। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক রাসেল সরকারের (২৩) বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ১৪ মে রাসেলকে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। পরে গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট রাসেল সরকারকে ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার আদেশের পাশাপাশি রাসেলের অন্যপায়ে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে এবং কাটাপড়া বাম পায়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম পা লাগানোর খরচও গ্রিন লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে দিতে বলা হয়েছিল। এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে গিয়ে ৩১ মার্চ বিফল হয় গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা