kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

পাঁচ দিনের রিমান্ডে যাচ্ছে রিশান ফরাজী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ জুলাই, ২০১৯ ১২:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাঁচ দিনের রিমান্ডে যাচ্ছে রিশান ফরাজী

ফাইল ছবি

বরগুনায় রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা মামলায় আসামি রিশান ফরাজীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ শুক্রবার (১৯ জুলাই) বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সকালে রিশানকে আদালতে হাজির করে পুলিশের পক্ষ থেকে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে রিশানকে গ্রেপ্তারের খবর দেন বরগুনায় পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন।

বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের ভায়রার ছেলে রিশান ও তার ভাই রিফাত ফরাজী এ মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ডের সহযোগী। দুই সপ্তাহ আগে পুলিশ রিফাত ফরাজীকে গ্রেপ্তার করলেও নয়ন 'বন্দুকযুদ্ধে' গত ২ জুলাই নিহত হয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে তাঁর স্ত্রী মিন্নির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। রিফাতকে কোপানোর ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, দুজন রাম দা দিয়ে রিফাতকে কোপাচ্ছে। মিন্নি তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করছেন। একজনকে ঠেলে সরিয়ে দিলে অন্যজন এসে রিফাতকে কোপাচ্ছে। স্বামীকে বাঁচাতে তিনি বারবার চিৎকার করছিলেন। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি।

দুর্বৃত্তরা রিফাতকে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। বিকেলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ওই দিন রাতেই রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বরগুনা থানায় ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এ ছাড়া সন্দেহভাজন হিসেবে অজ্ঞাতপরিচয় আরো চার-পাঁচজনকে আসামি করেন। মামলায় মিন্নিকে প্রধান সাক্ষী করা হয়। খুনের মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত হন।

মামলার এজাহারভুক্ত ছয় আসামিসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। মামলার দুই নম্বর আসামি রিফাত ফরাজীসহ বাকি তিন আসামি এখনো রিমান্ডে আছে। মামলার এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামি এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। পুলিশ বলছে, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা