kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

পরিবেশ দূষণের দায়ে ৭ কারখানা বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জুলাই, ২০১৯ ২০:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পরিবেশ দূষণের অভিযোগে রাজধানীর উত্তর বাড্ডার সাতারকুল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ছয়টি ওয়াশিং কারখানা এবং একটি প্লাস্টিক কারখানার কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে বন্ধ করা কারখানাগুলোর মালিকদের আগামী ২১ জুলাই রবিবার পরিবেশ অধিদপ্তরে শুনানির জন্য হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

আজ সকালে ঢাকা পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্টের পরিচালক রুবিনা ফেরদৌসির নেতৃত্বে একটি দল সাতারকুল এলাকায় পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া যারা কারখানা পরিচালনা করে। পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে যেসব কারখানা সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

সাতারকুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে আশরাফ ওয়াশিং প্ল্যান্ট, প্রাইম ওয়াশিং প্ল্যান্ট, মায়ের দোয়া ওয়াশিং প্ল্যান্ট, স্টার ওয়াশিং (দি শাহীন ডিজাইন), সুমনের ওয়াশিং প্ল্যান্ট, শাইনিং ওয়াশিং প্ল্যান্ট এবং তেজো প্লাস্টিক নামক কারখানাগুলো উত্পাদন কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। এ সময় কয়েকটি কারখানা সিলগালা করে এবং ঢাকা ইলেক্ট্রসিটি সাপ্লাই কম্পানি (ডেসকো) এর সহযোগিতায় তাত্ক্ষণিক প্রতিটি কারখানার বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিছন্ন করা হয়।

রুবিনা ফেরদৌসি জানান, দীর্ঘদিন ধরে সাতারকুল এলাকায় বিভিন্ন ধরণের ওয়াশিং কারখানা পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া ও ইটিপি নির্মাণ না করে কারখানা চালিয়ে আসছে। এসব কারখানায় উত্পাদন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট অপরিশোধিত তরল বর্জ্য খালে পড়ে পরিবেশের মারাত্মক দূষণ করছে। এর আগে পরিবেশ অধিদপ্তর এসব কারখানা কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার পরিবেশ দূষণের দায়ে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করে সতর্ক করে দিয়েছিল। একই সঙ্গে তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার বা ইটিপি নির্মাণ করে দূষণ নিয়ন্ত্রণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বার বার তাগিদ দেওয়া সত্বেও কারখানার কর্তৃপক্ষ ইটিপি বসায়নি। পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ ছাড়াই কারখানা পরিচালনা করতে থাকে মালিকরা। এবং পরিবেশ দূষণ অব্যহত রাখে। পরিবেশ দূষণের অভিযোগ এনে আজ ছয়টি ওয়াশিং এবং একটি প্লাস্টিক কারখানার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। 

রবিনা ফেরদৌসি জানান, পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া, ইটিপি ছাড়া যাদেরকে পাওয়া যাবে সেসব পরিবেশ দূষণকারী শিল্প কারখানা বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে অন্যদের মধ্যে ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাকছুদুল ইসলাম, আসিফ শরীফ রহমান, উপপরিচালক, ড. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা