kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

হজযাত্রীরাই এদের মূল টার্গেট, র‍্যাবের জালে অজ্ঞান পার্টির ৭ সদস্য

অনলাইন ডেস্ক    

১৬ জুলাই, ২০১৯ ১৯:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হজযাত্রীরাই এদের মূল টার্গেট, র‍্যাবের জালে অজ্ঞান পার্টির ৭ সদস্য

হজযাত্রীদের নিকট থেকে মোবাইলফোন, টাকা-পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করে নিয়ে যাচ্ছে একটি চক্র- এমন বেশ কিছু অভিযোগ আসতে থাকে আশকোনার হজ ক্যাম্পের নিকটে স্থাপিত র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ১ এর অস্থায়ী ক্যাম্পে। আর তারই ভিত্তিতে ওই চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব ১ গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। 

এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব ১, ক্রাইম প্রিভেনশন কম্পানি ২ এর ভারপ্রাপ্ত কম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো, সালাউদ্দিন একটি আভিযানিক দল নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এর প্রবেশমুখে গোল চত্বর এর উত্তর-পশ্চিম পাশের ফুটওভার ব্রিজ এর নিচে পাকা রাস্তার ওপর থেকে সংঘবদ্ধ অজ্ঞান ও মলম পার্টি চক্রের সক্রিয় সাত সদস্যকে আটক করেন। 

আটককৃতরা হলো : মোশারফ হোসেন মাহিন (২৪), মো. আমিনুল ইসলাম (২০), মো. চাঁদ হাওলাদার (১৯), মো. রবিন মিয়া (২৫), মো. বাবু (৩০), মো. রফিক (২০) ও সঞ্জিত দাস (১৯)।এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩টি মলম, ৫টি স্পেয়ার ব্লেড, ৩টি মোবাইল ফোন ও ৭৫০/- টাকা উদ্ধার করা হয়। 

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা সংঘবদ্ধ অজ্ঞান/মলম চক্রের সক্রিয় সদস্য। এই চক্রের সদস্যরা দীর্ঘদিন যাবৎ বিমানবন্দর এলাকায় বিদেশ গমনাগমনের উদ্দেশ্যে আগত লোকজন ও অত্র এলাকায় চলাচলকারী বাসযাত্রী, পথচারীদের গতিরোধ করে কৌশলে বোকা বানিয়ে তাদের চোখে চেতনানাশক মলম প্রয়োগের মাধ্যমে অজ্ঞান করে নিকটে থাকা মোবাইলফোনসহ নগদ টাকা এবং মূল্যবান অন্যান্য জিনিসপত্র হাতিয়ে নিয়ে যায়। এ সময়ে কেউ টের পেলে ও বাধা প্রদান করিলে তাকে ভয় দেখানোর জন্য তাদের নিকটে থাকা স্পেয়ার ব্লেড দিয়ে শারীরিকভাবে আঘাত করে। 

তারা আরো জানায়, গতকাল সন্ধ্যায় তারা বিমানবন্দরে প্রবেশরত হজযাত্রীদের ছিনতাইয়ের জন্য সেখানে অবস্থান করছিল। হজযাত্রীসহ অন্যান্য যাত্রীগণ এই ফুট ওভারব্রিজ পার হওয়ার সময় তারা তাদের ব্যাগসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এ ছাড়াও তারা শশা, বরই, আচার ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্যে চেতনানাশক রাসায়নিক তরল পদার্থ মিশিয়ে সাধারণ মানুষকে অজ্ঞান করে তাহাদের সর্বস্ব লুটে নেয়। চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগের ফলে অধিকাংশ ভিকটিম ২৪-৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সংজ্ঞাহীন থাকে। মাত্রাতিরিক্ত চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগের ফলে অনেক ভিকটিমের মানসিক বিকারসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দেখা দেয় বলে ধৃত আসামিরা স্বীকার করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা