kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

বাদ এশা রংপুরে এরশাদের দাফন

স্বপন চৌধুরী, রংপুর   

১৬ জুলাই, ২০১৯ ১৫:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাদ এশা রংপুরে এরশাদের দাফন

ছবি : কালের কণ্ঠ

শেষ পর্যন্ত এরশাদের দাফন রংপুরেই হচ্ছে। তার পল্লীনিবাসের লিচুতলায় তাকে দাফনের প্রস্তুতি চলছে। আজ বাদ এশা তাকে সেখানেই দাফন করা হবে। এর আগে সোমবার যেকোনো মূল্যে জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফন রংপুরেই করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিল উত্তরবঙ্গ জাতীয় পার্টি (রংপুর ও রাজশাহী)। প্রয়োজনে জীবন দিয়ে হলেও তার মরদেহ রংপুর থেকে নিয়ে যেতে দেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন তারা। রাজধানীর সামরিক কবরস্থানে সাবেক এই রাষ্ট্রপ্রধানের দাফনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে রংপুরে অনুষ্ঠিত জাতীয় পার্টির উত্তরবঙ্গ প্রতিনিধি সভা করেন নেতৃবৃন্দ।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের নিজ এলাকা রংপুরে তার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। বেলা আড়াইটায় রংপুর কালেক্টরেট মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তবে জানাজা শেষে লাশবাহী গাড়ি মাঠ ছেড়ে যেতে চাইলে নেতাকর্মীরা বাধা দেন। তারা এরশাদকে রংপুরে দাফনের দাবিতে সেখানেই অবস্থান করেন। এক পর্যায়ে রংপুরের এরশাদভক্ত মানুষ মরদেহবাহী এ্যাম্বুলেন্স নিজেরাই ঠেলে নিয়ে যান পল্লীনিবাসের দিকে। শেষ পর্যন্ত রংপুরেই দাফনের সিদ্ধান্ত দেন জিএম কাদেরসহ জাতীয় পার্টি শীর্ষস্থানীয় নেতারা।

উল্লেখ্য, এরশাদ সিএমএইচে চিকিৎসাধীন থাকার সময় থেকেই রংপুর জাতীয় পার্টির নেতারা তাকে রংপুরে দাফনের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের যুক্তি, এরশাদ বলে গেছেন মৃত্যু হলে তাকে যেন রংপুরে পল্লী নিবাসে দাফন করা হয়। সোমবার সন্ধ্যায় রংপুর নগরীর দর্শনা এলাকায় এরশাদের বাসভবন পল্লী নিবাসের পাশে তার বাবা মরহুম মকবুল হোসেন মেমোরিয়াল হাসপাতাল এলাকায় লিচু বাগান চত্বরে তার জন্য কবরও খনন করা হয়। রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর জাপা সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে কবরের জায়গা নির্ধারণ এবং নিজেই মাটি কেটে কবর খননের কাজ শুরু করেন। 

প্রসঙ্গত, গত রবিবার ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। আজ মঙ্গলবার সকালে হেলিকপ্টার যোগে সাবেক এই রাষ্ট্রপতির মরদেহ রংপুরে নিয়ে আসা হয়। বেলা আড়াইটায় রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে তার শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা