kalerkantho

রবিবার । ২১ জুলাই ২০১৯। ৬ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৭ জিলকদ ১৪৪০

শিশু হাসপাতালের টয়লেটে পাওয়া সেই 'গহীন'কে পেতে সাত দম্পতির আবেদন (ভিডিওসহ)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ জুন, ২০১৯ ১৯:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকার শিশু হাসপাতালের টয়লেটে পাওয়া নবজাতক গহীনকে পেতে আদালতে সাত দম্পতি আবেদন করেছেন। ঢাকার একটি পারিবারিক আদালতে তারা সমাজসেবা অধিদপ্ততের মহাপরিচালক ও ছোট সোনামনি নিবাসের উপ-তত্ত্বাবধায়ক ও পরিচালককে বিবাদী করে গত ২০ জুন পৃথক পৃথক এ আবেদন জমা দেন। এরপর ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারক সাফিয়া সারমিন বিবাদীদের প্রতি সমন জারি করে ২ জুলাই পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছেন।

গত ১৪ মে দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার শিশু হাসপাতালের একটি টয়লেট থেকে ৩ থেকে ৪ দিন বয়সী নবজাতক কন্যাশিশুটিকে উদ্ধার হয়। হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে দুইদিন পর শিশুটিকে রাজধানীর আজিমপুরের সরকারি ছোটমনি নিবাসে হস্তান্তর করা হয়। নবজাতকটিকে উদ্ধার করার পর হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল মাহমুদ ও তার স্ত্রী পলি বেগম দুইদিন দেখভাল করেন। তারাই শিশুটির নাম রাখেন ‘গহীন’। 

ঘটনার বিবরণে মতে, হাপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ১৪ মে দুপুর ১২টার দিকে হন্তদন্ত হয়ে ওই হাসপাতালে ঢুকছেন দুই নারী। তারা টয়লেটের দিকে ঢুকে দ্রুত বেড়িয়ে আসেন। ঢোকার সময় একজনের হাতে যে পুটুলি দেখা যাচ্ছিল ছিল, তা বের হওয়ার সময় ছিল না। মনে করা হয় এই দুজনই শিশুটিকে ফেলে যায় ।

রাসেল মাহমুদ (৪১) ও পলি বেগম (৩৬) আট বছরের বিবাহিত জীবনে নিঃসন্তান। তারাই প্রথম শিশুটিকে দেখতে পান ও থানায় জিডি করেন। তারাও আবেদন করেছেন শিশুটিকে পেতে। আবেদনকারী অপর ছয় দম্পতিরা হলেন- সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রথম শ্রেনীর ঠিকাদার মো. শাহ আলম শাহীন ও তার স্ত্রী যুব মহিলা লীগের নির্বাহী সদস্য ও মানবাধিকার সংস্থা আশকের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হামিদা আক্তার মিতা। আইন অনুযায়ী সরাসরি হাসপাতাল বা আশ্রয়নিবাস থেকে শিশুকে দত্তক বা শরীরের অভিভাবক ও তত্ত্বাবধায়ক হওয়ার সুযোগ না থাকায় তারা আদালতে আবেদন করেছেন।

১৯৮৪ সালের পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশের ৫(২) ধারা ও ১৮৯০ সালের গার্ডিয়ান এন্ড ওয়ার্ডস এ্যাক্ট এবং  বিধান অনুযায়ী নবজাতক শিশু গহীনের শরীরের অভিভাবক ও তত্ত্বাবধায়ক হওয়ার দাবীতে আবেদনগুলো করা হয়েছে।

ভিডিওটি সংগৃহীত

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা