kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৬ জুলাই ২০১৯। ১ শ্রাবণ ১৪২৬। ১২ জিলকদ ১৪৪০

গভীর রাতে টিএসসি'র কক্ষে ঢাবির ছাত্র-ছাত্রী, ধরে হলে প্রেরণ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ জুন, ২০১৯ ১৩:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গভীর রাতে টিএসসি'র কক্ষে ঢাবির ছাত্র-ছাত্রী, ধরে হলে প্রেরণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র-ছাত্রীকে গভীর রাতে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) একটি কক্ষ থেকে বের করা হয়। টিএসসির ট্যুরিস্ট সোসাইটির কক্ষে তাদের পাওয়া যায়। পরে তাদের আবাসিক হলে পাঠিয়ে দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি। জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া দুই শিক্ষার্থী দুই বিভাগের তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত এবং তারা ট্যুরিস্ট সোসাইটির সদস্য। 

টিএসসির পরিচালক মহিউজ্জামান বলেছেন, টিএসসি'র সংগঠনগুলো সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কক্ষ ব্যবহার করতে পারে। আমি ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করি। শিক্ষার্থীরা যদি এ রকম কাজ করে তাহলে তো কারও পক্ষে ঠেকানো সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী আজ দুপুরে কালের কণ্ঠকে বলেন, আমরা খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের সেখানে পাঠাই। তারা সেখানে দুজন শিক্ষার্থীকে পায়। পরে হল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাদের পাঠিয়ে দেয়া হয়। তারা এতো রাতে কেন সেখানে ছিল, সে বিষয় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ওই দুই শিক্ষার্থীর দাবি, তারা সেখানে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত বেশি হয়ে যাওয়ায় হলে ঢুকতে ব্যর্থ হয়ে সেখানে অবস্থান নেন।

জানা গেছে, রাত ১১টায় টিএসসির কর্মচারী কিরণের কাছ থেকে চাবি নিয়ে তারা ট্যুরিস্ট সোসাইটির অফিসে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দরজা ও লাইট বন্ধ করে দেয়। এদিকে খবর পেয়ে রাত ১টার দিকে সাংবাদিকরা টিএসসিতে যান। পরে দরজায় টোকা দেয়া হলে তারা দরজা খোলেন। ওই কক্ষে দুজনকে পাওয়া যায়। এরপর ঘটনাস্থলে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা উপস্থিত হন। আটক ছাত্রী প্রথমে তার নিজের নাম না বলে একই হলের তৃতীয় বর্ষের অন্য আরেক মেয়ের নাম বলে ভুয়া পরিচয় দেন। ছেলেটিও নিজের পরিচয় গোপন রাখার চেষ্টা করেন।

হলে না ফিরে টিএসসির কক্ষে ঘুমানোর কারণ হিসেবে ওই ছাত্র যুক্তি দেখান, ছাত্রীটি রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছায়। ১০টার পরে আর হলে প্রবেশের সুযোগ না থাকায় টিএসসিতে নিজেদের সংগঠনের কক্ষে ঘুমানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা