kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ জুলাই ২০১৯। ৮ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৯ জিলকদ ১৪৪০

বাজেট আলোচনায় হাসানুল হক ইনু

বিএনপিকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ জুন, ২০১৯ ০৩:০১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিএনপিকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে হবে

হাসানুল হক ইনু। ফাইল ছবি

দেশের অর্থনীতির সমৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে হলে বিএনপির মতো সাম্প্রদায়িত জঙ্গি তোষক রাজনৈতিক দলকে বাংলাদেশের রাজনীতির ময়দান থেকে মাইনাসই করতে হবে। এ ধরনের অপশক্তিকে ক্রেন দিয়ে তুলে বিরোধী দলে বসানো গণতন্ত্রের জন্য মঙ্গলজনক নয় বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন মহাজোটের অন্যতম শরীক জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। 
 
গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি আরো বলেন, অর্থনীতি সম্মৃদ্ধির জন্য রাজনৈতিক শান্তি দরকার। শেখ হাসিনা সরকারকে অনেক মূল্য দিয়ে তা অর্জন করতে হয়েছে। তাই শান্তির শত্রু ও অশান্তির হোতাদের কোনো ছাড় নেই, এদের দমন করতেই হবে। তাই আগুন সন্ত্রাস দমন প্রতিহিংসা না, জঙ্গি সন্ত্রাস দমন প্রতিহিংসা না, অন্তর্ঘাত দমন, খুনিদের দমন, যুদ্ধাপরাধীদের দমন প্রতিহিংসা না, দুর্নীতির বিচারও প্রতিহিংসা না, তাই এসবের ছাড় দেওয়া ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
 
সাবেক তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক স্পেস দেওয়া একটা কথা ফ্যাশানে পরিণত হয়েছে। কিন্তু গণতন্ত্রের সুযোগ নিয়ে যারা গণতন্ত্রের পিঠে ছোবল মারে তাদের জন্য মায়াকান্না গণতন্ত্রকে ধ্বংসই করে। এখানে এমনো রাজনৈতিক শক্তি বর্তমান যারা সামরিক শাসনামলে রাজনৈতিক বিষবৃক্ষ হিসেবে কাজ করে।
 
তিনি আরো বলেন, বিএনপি হচ্ছে সেই দল, যারা জামাতের দিকে তাকায়, তারা সকল সাম্প্রদায়িক শক্তি ও জঙ্গি সন্ত্রাসবাদের ছাতা, তারা নিজেরাই সাম্পদায়িক দল। তাই উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে দল দেখে বা মুখ না দেখে, কঠোর হবার আহবান জানান।
 
বাজেটের বিষয়ে হাসানুল হক ইনু বলেন, বড় বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতা শেখ হাসিনা সরকার ও প্রশাসন অর্জন করেছে, যার জন্য সরকার জিপিএ ফাইভ ও গোল্ডেন ৫ জিপিও পাবেন। সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ এ বাজেটের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে পারে। সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করতে হবে, ঋণ খেলাপী কমিয়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রয়োজন, দুর্নীতি ও অপচয়ের রাষ্ট্রীয় খাত থেকে এ বাজেটকে রক্ষা করতে হবে। জিডিপি ও করের অনুপাত ১০ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে উন্নীত করার দাবি জানান তিনি।
 
জাসদ সভাপতি বলেন, ব্যক্তি আয়ের সীমা আড়াই লাখ থেকে ৩ লাখ করা, ধনীদের সম্পদের সার চার্জের পরিমাণ আড়াই থেকে ৩ কোটি করা হয়েছে, এটা কমিয়ে সোয়া দুই কোটি বহাল রাখা দরকার। বাজেটে ধনীদের সুযোগ দেওয়া হলে দরিদ্রদের সুযোগ দিতে হবে।
 
তিনি আরো বলেন, বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ দিয়ে গত ১০ বছরে খুব একটা সুবিধা হয়নি। অর্থনীতির কোনো প্রভাব পড়েনি। এটা অনৈতিক ও সংবিধান পরিপন্থী। তাই কালো টাকা সাদা করার প্রস্তাবটা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। তিনি বাজেটে কৃষি অর্থনীতি, ঋণ খেলাপী, ব্যাংকিং খাতে সুশাসনসহ রাজনীতি ও অর্থনীতিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা