kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ জুলাই ২০১৯। ৮ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৯ জিলকদ ১৪৪০

আইওএম এর উদ্যেগে স্থানীয়-রোহিঙ্গাদের মধ্যে ফুটবল ম্যাচ সম্পন্ন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ জুন, ২০১৯ ১৯:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আইওএম এর উদ্যেগে স্থানীয়-রোহিঙ্গাদের মধ্যে ফুটবল ম্যাচ সম্পন্ন

স্থানীয় জনগণ ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন অক্ষুন্ন রাখতে আজ টেকনাফের লেদা এলাকায় এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের সমন্বয়ে গঠিত দল দুইটির মধ্যে অনুষ্ঠিত এই ফুটবল ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ে ড্র হয়। পরে টাইব্রেকারে আলীখালী অরেঞ্জ দল তিন গোলে জয়লাভ করে।

বিশ্ব শরণার্থী দিবস (২০ জুন) এ আয়োজিত এই ম্যাচটি ২৪ (লেদা) ও ২৫ (আলীখালী) নম্বার রোহিঙ্গা শিবিরের পার্শ্ববর্তী মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় জনগোষ্টী ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে সু-সর্ম্পক বজায় রাখতে আন্তর্জা তিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এই উদ্যোগ গ্রহণ করে। এই ফুটবল ম্যাচে অংশ নেন আলীখালী ব্লু দল ও আলীখালী অরেঞ্জ দল। দুই দলে ২২ জন খেলোয়ারের মধ্যে রোহিঙ্গা শরনার্থীর পাশাপাশি স্থানীয় বাঙ্গালীরাও অংশ নেয়। ব্যাতিক্রমধর্মী এই আয়োজন দেখতে মাঠে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের উপস্থিতি দেখা যায়।

খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের লেদা ও আলীখালীর রোহিঙ্গা শিবিরের সহকারী ক্যাম্প ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহাজাহান, লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম, আলীখালী রোহিঙ্গা শিবিরের চেয়ারম্যান রহিম উল্লাহ, স্থানীয় উন্নয়ন কমিটির নেতা মোঃ জুবাইর, মাইন উদ্দীন এবং আইওএম এর কর্মকর্তারাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এই প্রীতি ফুটবল ম্যাচ পরিচালনা করেন কক্সবাজার জেলা রেফারী এসোসিয়েশনের সদস্য সিরাজুল ইসলাম এবং সহকারী হিসাবে পরিচালনা করেন মোঃ ইসমাইল ও মোবিন।

প্রীতি ম্যাচে দুই দলের ৬০ মিনিটের খেলা শেষে আলীখালী ব্লু দল ও আলীখালী অরেঞ্জ দল এক এক গোলে ড্র করেন, পরে ট্রাইবেকারে ৩-২ গোলে আলীখালী অরেঞ্জ দল জয় লাভ করেন। পরে দুই দলের হাতে ট্রফি, ম্যাডেল এবং ম্যান অব দ্যা ম্যাচের ট্রফি তুলে দেন অতিথিরা।

আইওএম-এর ট্রানজিশনাল রিকভারি ডিভিশনের (টিআরডি)র প্রধান প্যাট্রিক শেরিগনন বলেন, স্থানীয় জনগণ ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে বন্ধুত্ব সামাজিক সম্প্রীতি এবং সহাবস্থান বজায় রাখতেই ফুটবল আয়োজন করা হয়েছে। ফুটবল ম্যাচের মত এমন আরো খেলাধুলার পাশাপাশি নানা আয়োজনের মাধ্যমে এই দুই জনগোষ্ঠির মধ্যে সম্প্রীতি রক্ষার্থে কাজ করে চলেছে আইওএম।

ক্যাম্প ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহাজাহান বলেন, বিশ্ব শরাণার্থী দিবস উপলক্ষ্যে স্থানীয় জনগন ও রোহিঙ্গা জনগোষ্টীর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সর্ম্পক বাজায় রাখতে আইওএম ও বাংলাদেশ সরকারের উদ্যেগে এই খেলার আয়োজন করা হয়েছে। পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের মধ্যেও বন্ধুত্ব বাড়াতে এই ধরনের উদ্যেগ নেওয়ার আহবান জানান তিনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা