kalerkantho

সোমবার । ২২ জুলাই ২০১৯। ৭ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৮ জিলকদ ১৪৪০

বাজেটে বরাদ্দের মাধ্যমে বস্তিবাসীকে পুনর্বাসনের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ জুন, ২০১৯ ১৯:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাজেটে বরাদ্দের মাধ্যমে বস্তিবাসীকে পুনর্বাসনের দাবি

বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন না করে উচ্ছেদের মতো অমানবিক কাজ বন্ধের দাবি জানিয়েছে ৬৮টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওর সমন্বয়ে গঠিত জোট। একই সঙ্গে ‘কাপ’ নামে পরিচিত এই জোটটি বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনে বাজেটে বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব দাবি জানানো হয়েছে।

‘বস্তি উচ্ছেদ ও নগর দরিদ্রদের বসতির অধিকার বর্তমান পরিস্থিতি ও বাজেটে পুনর্বাসনের অন্তর্ভূক্তি’ শীর্ষক সেমিনারটিতে বক্তারা বলেন, পুনর্বাসন ছাড়া বস্তি উচ্ছেদ না করার বিষয়ে আদলতের রায় রয়েছে। রায়ের পরও অমানবিকভাবে বস্তিবাসীদের উচ্ছেদ করা হয়। বস্তিতে বাসবাস করে নিম্ন আয়ের মানুষ। বস্তিতে বাস করা এসব মানুষ তৈরি পোষাক কারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে। এ ছাড়া নিজের চাহিদা পূরণের পর গ্রামে আয়ের একটি অংশ পাঠানোর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকেও সচল রাখেন তারা। মূলত তারাই দেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন করতে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, থাইল্যান্ড এবং শ্রীলংকাকে অনুসরণ করা যেতে পারে। এ ছাড়া প্রতি বছর বাজেটে পুনর্বাসনের জন্য সরকারের বরাদ্দ থাকা উচিত।

সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে ডা. দিবালোক সিংহ বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ছিল ধনী-গরিবের বৈষম্য দূর করা এবং গরিব মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। স্বল্প ব্যয়ে বস্তিবাসীদের আবাসন তৈরি করে ন্যূনতম ভাড়ায় তা বরাদ্দ দিতে সরকারের প্রতিশ্রুতিও রয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করে কাজ করতে পারে।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নগর গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, বসতির অধিকার মানবাধিকার, সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা, সাংবিধানিক অধিকারের আলোকে স্বল্প আয়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠির বসতির অধিকার বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।

সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল ইসলাম, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, ব্যারিস্টার সারাহ হোসেন প্রমুখ। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা