kalerkantho

শনিবার । ২০ জুলাই ২০১৯। ৫ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৬ জিলকদ ১৪৪০

বাঙালি জাতিকে নতুন আত্মপরিচয় দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু : ডেপুটি স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ জুন, ২০১৯ ১৮:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাঙালি জাতিকে নতুন আত্মপরিচয় দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু : ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শুধু একটি নাম নয় একটি ইতিহাস, একটি আন্দোলন, একটি স্বাধীন দেশ। জাতির পিতার জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত না। তিনি বাঙালি জাতিকে দিয়েছেন এক নতুন আত্মপরিচয়। যে পরিচয়ে বলীয়ান হয়ে বাঙালি আজ পথ চলতে শিখেছে। বিশ্বের বুকে এক সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে পরিচিত করতে তিনিই অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন।

আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়াতনে একাত্তর ফাউন্ডেশন ও ঐতিহাসিক আগরতলা পরিষদ আয়োজিত আগরতলা মামলার শুনানি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সাবেক ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন আগরতলা মামলায় অভিযুক্ত কর্নেল (অব.) শামসুল আলম, অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ, আবুল হোসেন, মাজেদা শওকত আলী, ৭১ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডা. খালেদ শওকত আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, যে জাতি শুধু লাঙল-কাস্তে-হাতুড়ি দিয়ে জীবন সংগ্রামে লিপ্ত ছিলো সে জাতিকে বঙ্গবন্ধু শিখিয়েছেন আত্মমর্যাদা রক্ষায় কিভাবে অস্ত্র হাতে তুলে নিতে হয়, কিভাবে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতার সূর্যকে ছিনিয়ে আনতে হয়। আগরতলা মামলায় বঙ্গবন্ধু প্রধান আসামি ছিলেন বলেই গণ আন্দোলন জোরদার হয়েছিল। কারণ তখন দেশ জুরে একটাই শ্লোগান ছিলো ‘জেলের তালা ভাঙবো, শেখ মুজিবকে আনবো’। ‘তোমার নেতা, আমার নেতা, শেখ মুজিব, শেখ মুজিব’।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, আগরতলা মামলার অভিযুক্ত ব্যক্তিরা জাতির পিতার নেতৃত্বে তাদের জীবন বাঁজি রেখে পাকিস্তান হতে তৎকালীণ পূর্ব পাকিস্তানকে আলাদা করার জন্য একটি সশস্ত্র বিপ্লবের পরিকল্পনা করেছিলেন। তাই তাদের সকলকে জাতীয় বীরের মর্যাদায় রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া উচিত। এ মামলার কয়েকজন অভিযুক্তকে স্বাধীনতা পদক দেওয়া হলেও এখনো যারা বাকি আছেন তাদের প্রত্যেককে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করার বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা