kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

'নবম ওয়েজ বোর্ড প্রসঙ্গে নোয়াবের বিবৃতিতে সাংবাদিক সমাজ মর্মাহত'

নোয়াবের বিবৃতির জবাব দিল বিএফইউজে ও ডিইউজে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ জুন, ২০১৯ ২১:৪৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'নবম ওয়েজ বোর্ড প্রসঙ্গে নোয়াবের বিবৃতিতে সাংবাদিক সমাজ মর্মাহত'

নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড নিয়ে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের বিবৃতি মালিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক সৃষ্টি করবে এবং এ বিবৃতিতে সাংবাদিক সমাজ মর্মাহত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।

যুক্ত বিবৃতিতে বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ এবং ডিইউজের সভাপতি আবু জাফর সূর্য ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুবী এই মত প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গত ১৩ জুন দেশের বিভিন্ন জাতীয় সংবাদপত্রে  প্রকাশিত নিউজ পেপার ওনারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড নিয়ে সুপারিশ সাংবাদিক সমাজকে দারুণভাবে মর্মাহত ও উদ্বিগ্ন করেছে। সহকর্মী ও সহযোগীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মালিকপক্ষের এ ধরনের ধারণা পোষণ করে দেওয়া বিবৃতি বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) কাছে অগ্রহণযোগ্য, অবাস্তব, প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করার অপপ্রয়াস ও নৈতিকতা বিবর্জিত বলে বিবেচিত হয়েছে।’

এতে বলা হয়, মালিকপক্ষের প্রতিষ্ঠানকে নিজের প্রতিষ্ঠান মনে করে সবসময় কাজ করে থাকেন সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মচারীরা। সেখানে নবম মজুরি বোর্ড ঘোষণার চূড়ান্ত সময়ে গণমাধ্যমকর্মীদের রুটি-রুজি ও মর্যাদার জায়গাটিকে মালিকপক্ষ যেভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, তা সংবাদপত্র শিল্পের জন্য নতুন সঙ্কট তৈরি করবে। মালিকের সঙ্গে শ্রমিক তথা গণমাধ্যমকর্মীদের দূরত্ব ও বৈরী সম্পর্ক সৃষ্টি করবে। যার প্রভাব পুরো শিল্পকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

গণমাধ্যমকর্মীদের বঞ্চিত করে সংবাদপত্র মালিকদের অধিক সুবিধা লাভের আশায় নোয়াবের এই বিবৃতি, উল্লেখ করে বিএফইউজে ও ডিইউজে নেতারা বলেন, ‘সংবাদপত্রকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার পর নোয়াবের সদস্যরা শিল্প মালিক হিসেবে সরকারের কাছ থেকে কি কি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছেন তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’

গণমাধ্যমকর্মী আর সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের চাকরির ধরণ এক রকম নয় দাবি করে তারা বলেন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে দুইদিন ছুটি থাকলেও গণমাধ্যমকর্মীরা তা পান না। এমনকি সংবাদপত্রের জন্য নির্ধারিত ছুটির দিনেও তাদেরকে দায়িত্ব পালন করতে হয়। বিনিময়ে প্রাপ্য তেমন নেই বললেই চলে। সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করলেও তাদের সমস্যা-সঙ্কটে ন্যায্য পাওনাটুকু থেকেও বঞ্চিত হন। অসংখ্য সংবাদপত্রে নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র, বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট, গ্রুপ ইন্স্যুরেন্সসহ শ্রম আইন ও মজুরি বোর্ড অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা