kalerkantho

সোমবার । ২৪ জুন ২০১৯। ১০ আষাঢ় ১৪২৬। ২০ শাওয়াল ১৪৪০

দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক বললেন

দুর্নীতির প্রতিকার নয়, প্রতিরোধ করতে হবে

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

২৪ মে, ২০১৯ ০৪:২৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুর্নীতির প্রতিকার নয়, প্রতিরোধ করতে হবে

দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, আমাদের দেশে দুর্নীতির প্রতিকার নয়, প্রতিরোধের ব্যবস্থা করতে হবে। সকল নাগরিক সমানভাবে সেবা পায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য সরকারি সকল কর্মকর্তাদের সরকারের এই সেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া তাদের দায়িত্ব।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘রুখবো দুর্নীতি, গড়বো দেশ, হবে সোনার বাংলাদেশ’ এ প্রতিপাদ্যে সামনে রেখে আয়োজিত এক গণশুনানিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের উদ্যোগে ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির  সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দুদকের গণশুনানী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে তিনি বলেন, সারা পৃথিবীতে দুর্নীতিতে ১৪৫তম স্থানের মধ্যে বাংলাদেশ ১৪৩তম স্থানে আছে। টিআইবি বলছে দুদকের অবস্থা বেশী ভালো নয়। কিন্তু তারা পরিস্কার করে এ ব্যাপারে কিছু বলেনি। ২৩টি জেলায় আমাদের দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির অফিস আছে। সারা দেশেই পর্যায়ক্রমে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির অফিস করা হবে। অনেক সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে মামলা হয়েছে। অনেক সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে দুদকের মামলার ভয়ে কয়েকজন আত্মহত্যা করেছেন।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন দুর্নীতি প্রতিরোধে অনেক সোচ্চার। আমাদের কলেবর আরো বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সরকার এজন্য আমাদের প্রচুর অর্থের যোগান দিচ্ছে। বর্তমান সরকারও দুর্নীতি দমনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

ঢাকা জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দুদকের পরিচালক মো. আক্তার হোসেন, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান, কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহে এলিদ মাইনুল আমীন ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বেগম বেদৌড়া আলী প্রমূখ।

দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক আয়োজিত দুদকের এই গণশুনানীতে সাধারণ মানুষের ৩৯টি অভিযোগ দাখিল হয়। গণশুনানীতে ২৭টি অভিযোগ উত্থাপিত হলে এ বিষয় নিয়ে গণশুনানী হয়। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে ৭ থেকে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে উত্থাপিত অভিযোগের নিষ্পত্তির সময় নির্ধারণ করে দেন দুদক কমিশনার।

মন্তব্য