kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

গ্রিনরোডে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যাম, ৪৫ হাসপাতালকে দায়ী করলেন ব্যারিস্টার সুমন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ মে, ২০১৯ ১৬:৪৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



গ্রিনরোডে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যাম, ৪৫ হাসপাতালকে দায়ী করলেন ব্যারিস্টার সুমন

রাজধানীর গ্রিন রোডে জ্যাম দীর্ঘদিনের। কিন্তু এই জ্যাম নিয়ে সকলেই উদাসীন। এই উদাসীনতার বিষয়টিকে তুলে ধরলেন ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। তিনি বলেন, গ্রিনরোডটাকে খেয়ে ফেলেছে হাসপাতাল। এই রোডে কোনো জ্যাম থাকার কথা না অথচ এখন ১০ মিনিটের রাস্তা অতিক্রম করতে এক ঘণ্টার বেশি সময় খরচ করতে হয়।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্রিনরোডে দাঁড়িয়ে এক ফেসবুক লাইভে তিনি এই রাস্তার অসহনীয় জ্যামের কারণ তুলে ধরেন। তিনি এ সময় এই এলাকার ৪৫ হাসপাতালকে দায়ী করেন রোডের জ্যামের জন্য। 

তিনি বলেন, এই রোডে এতো হাসপাতাল কেন হেই রোডে ঢুকলে প্রথমে কমফোর্ট, এরপর গ্রিনলাইফ, এরপর সেট্রাল, এরপর ল্যাবএইড, এরপর গণস্বাস্থ্য। একটা রোডের দুই পাশে ৪৫ টা হাসপাতাল লাইসেন্স পায় কীভাবে? এই গ্রিন লাইফ হাসপাতাল তার সামনে অসংখ্য গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে পার্কিং এর জন্য। রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী মানুষদের নিকট থেকে এই হাসপাতাল ১৫ মিনিট খেয়ে ফেলে। এভাবে প্রত্যকে হাসপাতাল সময় খেয়ে নিচ্ছে। এই আবাসিক এলাকায় কেন এতো হাসপাতাল থাকবে?

সুমন বলেন, গ্রিনরোড এখন হাসপাতাল মালিকদের দখলে। এই রাস্তায় হচ্ছে নতুন একটি মেডিক্যাল কলেজ। ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ। এই হাসপাতাল হবার পরে আরো ১৫ মিনিট যোগ হবে। এই রাস্তা পুরো থেমে যাবে একটা সময়। আপনারা (হাসপাতাল মালিকেরা) অনেক টাকার মালিক, জানি না কীভাবে আপনারা লাইসেন্স বের করে আনেন। এখন আমাদের রেহাই দিন।

সুমনের লাইভের সময় সেখানে স্থানীয় জনতা ও রিকশাচালকেরা উপস্থিত ছিলেন। তারাও বেইসব হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন।

হবিগঞ্জের সায়েদুল হক সুমন ২০০৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ সম্পন্ন করার পর ২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চলে যান। সেখানে সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে বার অ্যাট ল’ করেন তিনি। সুপ্রিম কোর্টের এ আইনজীবী এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর। আইনজীবী হলেও সুমন পরিচিতমুখ হয়ে উঠেছেন অনিয়মের বিরুদ্ধে তার ‘ফেসবুক লাইভ আন্দোলন’র মাধ্যমে। 

অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘ফেসবুক লাইভ’ আন্দোলন নিয়ে সায়েদুল হক সুমন বলেন, প্রযুক্তির এমন সদ্ব্যবহারের কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিলো না। শিক্ষাজীবন থেকেই আমি বিভিন্ন সামাজিক কাজের সঙ্গে জড়িত। কাজ করতে করতেই দেশে আধুনিক প্রযুক্তির প্রচলন ঘটে। মনে হচ্ছিলো ছোট একটা ভালো কাজ করে যদি প্রচার করা যায়, তাহলে আরও হাজারটা ভালো কাজ হবে। এক পর্যায়ে ধীরে ধীরে ফেসবুক লাইভে কথা বলার সাহস পাই। ভালো সাড়াও আসে সব জায়গা থেকে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা