kalerkantho

সোমবার । ২৪ জুন ২০১৯। ১০ আষাঢ় ১৪২৬। ২০ শাওয়াল ১৪৪০

রায় ঘোষণাকালে কাঁদলেন বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ মে, ২০১৯ ২৩:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রায় ঘোষণাকালে কাঁদলেন বিচারপতি

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে সর্বনিম্ন বয়স কত হবে তা নিয়ে আজ রবিবার রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। সর্বনিম্ন বয়স ১৩ বছর ও সাড়ে ১২ বছর নির্ধারণ করে সরকারের জারি করা বিভিন্ন সময়ের গেজেট ও পরিপত্র অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রবিবার এ রায় দেন। এই রায় ঘোষণাকালে কেঁদে ফেলেন বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ। 

রায়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করতে যেয়ে কেঁদে ফেলেন বিচারপতি। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ভোরে বঙ্গবন্ধু টেলিগ্রামের মাধ্যমে যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন সেখানেও যার যা কিছু আছে তা নিয়েই হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে বলেছেন।

এই ঘোষণাপত্র পড়তে পড়তে তিনি বলেন, আমি আবেগপ্রবণ হয়ে যাচ্ছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ভোর বেলার দেওয়া স্বাধীনতার এ ঘোষণাটি পড়লে যে কেউই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়বে। এ সময় রিটকারীপক্ষের আইনজীবীরা দাঁড়িয়ে যান।

আদালত রায়ে বলেন, যে মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর ভিত্তি করে দেশ স্বাধীন হয়েছে, সেই মুক্তিযোদ্ধাদের যদি অস্বীকার করি তাহলে আমরা আর সামনে এগুতে পারব না। মনে রাখতে হবে যে, মূলত আবেগের তাড়না থেকেই মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করেছে। দেশের প্রতি ভালোবাসার কারণে করেছে। আর এই ভালোবাসা বয়স দিয়ে কখনো বাধা যায় না।

মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বনিম্ন বয়স নির্ধারণ করে সরকারের জারি করা গেজেট ও এ সংক্রান্ত আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত তিন বছরের দাখিল করা ১৫টি রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে রায় প্রদানকালে আদালত উল্লেখিত অভিমত দেন।

মন্তব্য