kalerkantho

বুধবার । ২৯ জানুয়ারি ২০২০। ১৫ মাঘ ১৪২৬। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

ঈদের আগেই পাটকল শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ মে, ২০১৯ ১৮:০৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঈদের আগেই পাটকল শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের সুপারিশ

ঈদের আগেই পাটকল শ্রমিকদের বকেয়া মজুরিসহ সকল ধরনের পাওনা পরিশোধের সুপারিশ করেছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির এই সুপারিশের প্রেক্ষিতে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। পাওনা পরিশোধের জন্য দ্রুতই সরকার অর্থ বরাদ্দ দিবে বলে মন্ত্রণালয় আশা করছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংসদীয় কমিটির সভাপতি মির্জা আজমের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, মো. ইসরাফিল আলম, রনজিত কুমার রায়, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, খাদিজাতুল আনোয়ার ও তামান্না নুসরাত (বুবলী) এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কমিটি সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে বাংলাদেশ পাট কল কর্পোরেশনশে (বিজেএমসি) বিদ্যমান শ্রমিক অসন্তোষের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধ ছাড়াও পাটকলগুলোতে যেসব অস্থায়ী শ্রমিক আছে তাদের বিভিন্ন সময় ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করার বিষয়টি ওঠে আসে। অনেক সময় তাঁরা মজুরিও ঠিক মতো পায় না। এ বিষয়গুলো সমাধানের জন্য কমিটিতে আলোচনা হয়েছে। তবে শ্রমিকদের মূল দাবি, বকেয়া মজুরি পরিশোধ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড়ের মাধ্যমে সমস্যা নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি মির্জা আজম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা শ্রমিকদের পাওনা দ্রুত পরিশোধ করতে বলেছি। একইসঙ্গে কোনো ভুয়া শ্রমিক যাতে বেতন না পায় সেজন্য ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধের জন্য বলা হয়েছে। ঈদের আগেই তারা মজুরি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে কমিটির সদস্য ইসরাফিল আলম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা বলেছি, ঈদের আগেই শ্রমিকদের ন্যায্য পরিশোধ করতে হবে। আর শ্রমিকরা যাতে সরাসরি তাদের টাকা পায়, সেজন্য ব্যাংক হিসাবে তাদের বকেয়া পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। এজন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সরকার দিবে বলেও তিনি জানান।

বিজেএমসি’র অধীনে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা অঞ্চলের ২৭টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলে প্রায় ৮০ হাজার শ্রমিক রয়েছে। বকেয়া মজুরিসহ ৯ দফা দাবিতে লাগাতার ধর্মঘট পালন করছেন শ্রমিকরা। গত ৬ মে থেকে দ্বিতীয় দফায় দেশব্যাপী একযোগে ধর্মঘটের ফলে মিলগুলোর উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা