kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

রাবি ভিসির অপসারণ চেয়ে আইনি নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ মে, ২০১৯ ২১:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাবি ভিসির অপসারণ চেয়ে আইনি নোটিশ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহানের অপসারণ চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। অসত্য তথ্য দিয়ে পুনরায় ভিসি পদে নিয়োগ ও স্বপদে থাকার অভিযোগ এনে এ নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে উপাচার্যকে অপসারণ করা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে বলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক এক শিক্ষার্থী সালমান ফিরোজ ফয়সালের পক্ষে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম আজ বুধবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, শিক্ষা সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সচিব, রাবির ভিসি ও রেজিষ্ট্রার, ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি বরাবরে এ নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, অধ্যাপক ড. এম. আব্দুস সোবহান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে ২০১৭ সালের ৭ মে চার বছরের জন্য দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পান। ওইদিনই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর একই বছরের ২১ জুন তিনি উপাচার্যের পদে থেকে ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। আবার ওইদিনই তিনি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। ফলে উপাচার্যের পদে সাময়িক শূন্যতা সৃষ্টি হয়। উপাচার্য পদে সাময়িক শূন্যতা পূরণকল্পে রাষ্ট্রপতির অনুমতি ছাড়াই একদিনের জন্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. আখতার ফারুককে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য নিয়োগ দেন। যা ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের পরিপন্থী।

নোটিশে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২১ জুন বিভাগে যোগদান ও স্বেচ্ছা অবসর গ্রহণের তথ্য গোপন করে ২৪ জুন তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে একটি আবেদন করেন। যেখানে ২৯ জুন তারিখে স্বপদে যোগদান ও স্বেচ্ছা অবসর গ্রহণের অনুমতি চাওয়া হয়। রাষ্ট্রপতি এ আবেদন গ্রহণ করে তাকে যোগদান ও স্বেচ্ছা অবসরের অনুমতি দেন। অথচ আবেদনের আগেই তিনি যোগদান ও স্বেচ্ছা অবসর গ্রহণ করেছেন। অবসরের পূর্ণ সুবিধা এককালীন পাওয়ার জন্যই এই কাজ করেছেন তিনি। কারণ ওই বছরের ১ জুলাইয়ের পর অবসর নিলে তিনি অবসরকালীন ৫০ শতাংশের বেশি টাকা একবারে উত্তোলন করতে পারতেন না।

মন্তব্য