kalerkantho

ছাত্র ইউনিয়নের সম্মেলন শুরু: জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ার আহ্বান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০৩:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছাত্র ইউনিয়নের সম্মেলন শুরু: জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ার আহ্বান

‘জ্ঞানভিত্তিক, অসামপ্রদায়িক ও সার্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ছাত্রসমাজ লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে সরকার শিক্ষার সামপ্রদায়িকীকরণ, বাণিজ্যিকীকরণ করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। চলমান পুঁজিবাদী ও শোষণভিত্তিক সমাজ ভেঙে নতুন জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে। আর এই লড়াইয়ে অগ্র সেনানী হবে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।’

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ‘বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের’ কেন্দ্রীয় সংসদের ৩৯তম জাতীয় সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন।

‘রাত্রির গভীর বৃন্ত থেকে ছিঁড়ে আন ফুটন্ত গোলাপ’ স্লোগানে শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী সম্মেলনের প্রথম দিনে গতকাল ছিল উদ্বোধনী আয়োজন। দ্বিতীয় দিনে আজ শুক্রবার সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পুর্নমিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পরবর্তী দু’দিন হবে কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি জি এম জিলানী শুভর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভাষাসৈনিক গোলাম আরিফ টিপু। তিনি পায়রা উড়িয়ে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে উপস্থিত হতে পারেননি ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক, যতীন সরকার ও কামাল লোহানী।

ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ইউনিটের নেতাকর্মীরা সম্মেলনের উদ্বোধনী সমাবেশে যোগ দেন। সমাবেশ শেষে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। সম্মেলনে ছাত্র ইউনিয়নের জাতীয় সংগীত রচনার জন্য শিল্পী আকতার হোসেনকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

ভাষাসৈনিক গোলাম আরিফ টিপু বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা পুঁজিবাদীদের নিয়ন্ত্রণে। চলমান পুঁজি ও শোষণভিত্তিক সমাজ ভেঙে নতুন জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে। 

ভাষাসৈনিক আকতার হোসেন বলেন, ‘আমি সাংঘাতিকভাবে অভিভূত। আমি সারারাত জেগে সেদিন গানটি লিখেছিলাম। তরুণ বয়সেও ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে ছিলাম, অদূর ভবিষ্যতেও থাকব।’

সভাপতির বক্তব্যে জি এম জিলানী শুভ বলেন, ‘একটি একমুখী, বিজ্ঞানভিত্তিক, অসামপ্রদায়িক ও সার্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ছাত্রসমাজ সংগ্রাম করছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে ক্ষমতাসীন সরকার শিক্ষার সামপ্রদায়িকীকরণ, বাণিজ্যিকীকরণের মতো মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবাদ করলেই জুলুম-নির্যাতন নেমে আসছে। এই হামলার ঘটনাই বলে দেয় আমরা সঠিক ও সত্যের পথে আছি।’ 

মন্তব্য