kalerkantho

খাদেম হত্যা : ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড ও একজনের যাবজ্জীবন

বিশেষ প্রতিনিধি   

২৫ এপ্রিল, ২০১৯ ১৫:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খাদেম হত্যা : ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড ও একজনের যাবজ্জীবন

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুল হক খাদেম ওরফে আনিস খাদেমকে হত্যার দায়ে ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক আবদুর রহমান সরদার রায় ঘোষণা করেন। ঘটনার দশ বছর পর এই রায়ের মাধ্যমে বিচারিক আদালত বিচার সম্পন্ন করলেন।

মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, শহিদুর রহমান খাদেম ওরফে শাহিদুর রহমান খাদেম ওরফে মিনু খাদেম ওরফে মামা খাদেম, মাহবুব আলম লিটন ওরফে দাতভাঙ্গা লিটন, শেখ শামীম আহম্মেদ, মো. জুয়েল, কামাল হোসেন বিপস্নব ও সোহেল ওরফে ক্যাটস আই সোহেল।

রায়ে আসামি আবদুল্লাহ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন বাবু ওরফে হোন্ডা বাবু ওরফে টিএন্ডটি বাবু ওরফে চুলা বাবু ওরফে টুইন্না বাব কে যাবজ্জীবন কারাদ্ল দেওয়া হয়। অপর আসামি আজগর হোসেন রানাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেছেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। তবে দ্ল কার্যকর করার আগে আইনানুয়ায়ী হাইকোর্টের অনুমোদন নিতে হবে।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে আমিনুল হক খাদেম ওরফে আনিস খাদেমকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ সন্দোহতীতভাবে প্রমান হয়েছে। আসামিরা নিজেরাও হত্যার দায় স্বীকার কওে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়া হয়েছে। আসামিদের স্বীকারোক্তি, ঘটনার পারিপার্শিকতা ও ঘটনার নির্মমতা বিবেচনা করে আসামিদের শাস্তি দেওয়া হলো।
আসামিদের মধ্যে লিটন, বিপ্লব ও বাবু পলাতক রয়েছেন। তারা গেপ্তার বা আদালতে আত্মসমর্পনের পর রায় কার্যকর হবে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৩ মে রাজধানীর মালিবাগের আহমদুলস্নাহ স্টেটের ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে ওই হোল্ডিংয়ের পশ্চিম পাশে পরিকল্পিতভাবে আমিনুল হক খাদেম ওরফে আনিস খাদেমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরের দিন তার ছেলে সাইদুল হক খাদেম রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। আসামিদেও গ্রেপ্তার করার পর আট আসামি প্রত্যেকে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেন।

র‍্যাব-৩ ঘটনাটি তদন্ত করে ২০০৯ সালের ৩০ নভেম্বর আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। ২০১৪ সালের ৮ জুন আসামিদের দ্লবিধির ৩০২/৩৪/৩৭৯/৪১১ ধারায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় বিভিন্ন সময়ে ১৭ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

মন্তব্য