kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

সিটি কর্পোরেশন এলাকায় উপকর আইন বাস্তবায়নের দাবি সাঈদ খোকনের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ১৮:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিটি কর্পোরেশন এলাকায় উপকর আইন বাস্তবায়নের দাবি সাঈদ খোকনের

সিটি কর্পোরেশন এলাকায় উপকর আইন বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. সাঈদ খোকন।

আজ বুধবার সকালে নগর ভবন প্রাঙ্গণে ডিএসসিসির পৌরকর মেলা-২০১৯ এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান।

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকা থেকে কেন্দ্রীয় সরকার যেসব কর নিচ্ছে সেখান থেকে সিটি কর্পোরেশনকে উপকর দেওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের অধিক্ষেত্র এলাকায় উপকর আরোপ সংক্রান্ত যে আইন রয়েছে সেটি বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ দেওয়ার পরেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এই আইন কার্যকর করতে হবে।

সাঈদ খোকন বলেন, যেদিন থেকে আমি দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব নিয়েছি তার ১০ দিনের মাথায় বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের কারণে সংযোগ বিচ্ছিন্নের উপক্রম হয়েছিল। আজ নগরী এলইডি বাতিতে আলোকিত। শতকরা ৯৯ ভাগ বাতি জ্বালিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছি। ৮৫ ভাগ রাস্তা চলাচলের উপযোগী। জলসবুজে ঢাকা প্রকল্পের মাধ্যমে মাঠ ও পার্কগুলো বদলে যেতে শুরু করেছে। আজ আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে পারি ঢাকা দক্ষিণ সিটির ইতিবাচক পরিবর্তন করতে পেরেছি। আমরা বদলে দিতে চাই এই শহরকে।

মেয়র আরো বলেন, নগরির আয়তন বেড়েছে। বাড়েনি জনবল। আমরা যে পরিমাণ আয় করি তার চেয়ে চারগুণ উন্নয়ন ব্যয় হয়। সুতরাং আমাদের আর্থিক দিকটিও বাড়াতে হবে। আমাদের উভয় সিটির সক্ষমতা সেভাবে বাড়েনি। এভাবে চলতে পারে না। তাই আমরা  প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বাড়াতে চাই।

মেয়র বলেন, সিটি কর্পোরেশন আইন-২০০৯ অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনগুলো তার এলাকায় সরকারের অর্জিত আয়ের ওপর উপকর আরোপ করতে পারবে। এই আইনটি যদি বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে এই দুর্দশা কেটে যাবে। বিধিমালা প্রণয়ন না করার কারণে এখনো তা বাস্তবায়ন করা যায়নি। এজন্য আমি এবং প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক বছর দুয়েক আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলাম। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন তার একান্ত সচিবকে। তা আজও কার্যকর করা যায়নি আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা, বিকাশ এবং ডিবিবিএল এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য