kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা : সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে

আদালত প্রতিবেদক   

২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ১৫:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা : সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার মামলায় আরও দুইজন সাক্ষি দিয়েছেন। এ নিয়ে ৩৩ জন সাক্ষি দিয়েছেন। 

আজ বুধবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীরা তাদের জবানবন্দি দেন।  বিচারক মো. মজিবুর রহমান সাক্ষিদের জবানবন্দি গ্রহণপূর্বক আসামিদের পক্ষে আইনজীবীদের করা জেরা লিপিবদ্ধ করেন। জনৈক জালাল উদ্দিন ও নুরুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আগামি ২৯ এপ্রিল পরবর্তী সাক্ষির দিন ধার্য করেন। 

সাক্ষ্যগ্রহণের আগে কারাগারে থাকা মামলার আট আসামি হামলার মূল সমন্বয়ক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরীর সহযোগি আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ, ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী নব্য জেএমবি নেতা হাদিসুর রহমান সাগর, নব্য জেএমবির অস্ত্র ও বিস্ফোরক শাখার প্রধান মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, জঙ্গি রাকিবুল হাসান রিগ্যান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব ওরফে রাজীব গান্ধী, হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আবদুস সবুর খান (হাসান) ওরফে সোহেল মাহফুজ, শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদকে এজলাসে হাজির করা হয়।

গত বছরের ২৬ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।  এর আগে ২৩ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম বিভাগের পরিদর্শক হুমায়ূন কবির আটজনকে আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন। 

২০১৬ সালের পহেলা জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিসানে হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। বেকারির ভেতরে জিম্মি তেরোজনকে উদ্ধার করতে যৌথ বাহিনীর চালানো ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’ নামক অভিযানে পাঁচ জঙ্গি ঘটনাস্থলে নিহত হয়। 

তিনদিন পর ৪ জুলাই রাজধানীর গুলশান থানায় নিহত পাঁচ জঙ্গিসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।

মন্তব্য