kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

প্রতিবেদনে তথ্য প্রকাশ

তিন মাসে ১৬৪টি শিশু ধর্ষণের শিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০২:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিন মাসে ১৬৪টি শিশু ধর্ষণের শিকার

চলতি বছর প্রথম তিন মাসে ১৬৪টি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আর শুধু এপ্রিল মাসে  ধর্ষিত শিশুর সংখ্যা ৩৯টি। ২০১৮ সালে আট হাজার ৫৮৮ জন শিশু সহিংসতার শিকার হয়। ওই সময়ে ২৫৪ জনকে হত্যা করা হয়। ‘শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে আইনি কাঠামো’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। 

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয়ে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও ওল্ড বেইলি চেম্বার প্রণীত এ প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময়সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। 

তিনি বলেন, ‘শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ করা না গেলে শিশুবান্ধব সরকার বলে আমরা যে গর্ব করি তা থাকবে না।’ তিনি বলেন, ‘দেশে শিশু নির্যাতন বন্ধে অনেক আইন আছে, কিন্তু আইনের বাস্তবায়ন নেই। কেন আইনের বাস্তবায়ন নেই তা আমাদের পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে। কেন প্রতিবাদ করতে গিয়ে নুসরাতের মৃত্যু হয়? তাহলে কি অন্যায়ের প্রতিবাদ করা যাবে না? আমাদের অনেক অর্জন আছে, শিশুকে নিরাপত্তা দিতে না পারলে তা ম্লান হয়ে যাবে।’ 

বিদ্যমান আইনগুলোর কার্যকারিতা, বাস্তবায়ন উপযোগিতা পর্যালোচনার জন্য ১৩টি আইন আইন, চারটি নীতি, আটটি প্রবন্ধ পর্যালোচনা এবং বেশ কয়েকজনের মতামত গ্রহণ করে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়, ২০১৩ সালে নতুন শিশু আইন করা হয়। ২০১১ সালে জাতীয় শিশু নীতি করা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ বিদ্যমান রয়েছে। কিন্তু তার পরও শিশু নির্যাতন চলছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুকে শাস্তিও দেওয়া হচ্ছে। 

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের অ্যাডভোকেসি পরিচালক সাবিরা সুলতানা নূপুর, পরিচালক চন্দন গোমেজ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এ জে এম এরশাদ আহসান হাবিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আনোয়ারুল হক প্রমুখ। 

মন্তব্য