kalerkantho

সোমবার । ২০ মে ২০১৯। ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৪ রমজান ১৪৪০

শ্রমজীবী নারী মৈত্রীর মানববন্ধন-সমাবেশ

ধর্ষক ও নিপীড়কদের ক্ষমতার শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ১৭:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধর্ষক ও নিপীড়কদের ক্ষমতার শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে

ধর্ষক ও নিপীড়কদের ক্ষমতার শিকড় যত গভীরই হোক তা উপড়ে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতা সাইফুল হক। তিনি বলেছেন, মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাতের খুনি ও সহযোগীদের হাত যত লম্বাই হোক তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ষক, লম্পট আর নিপীড়কদের লীলাভূমি বাংলাদেশ নয়।

আজ শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শ্রমজীবী নারী মৈত্রী আয়োজিত ধর্ষণ-নিপীড়নবিরোধী মানববন্ধন-সমাবেশে সংহতি জানিয়ে একথা বলেন তিনি। সংগঠনের সভাপতি বহ্নিশিখা জামালীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিপস্নবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আকবর খান ও মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, শ্রমিক নেতা শহিদুল ইসলাম সবুজ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশিদা বেগম, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সম্পা বসু, ছাত্র ঐক্য ফোরামের আর্নিকা তাসমিন মিতু, বিপ্লবী ছাত্র সংহতির তিথি সুবর্না, মানবাধিকার সংগঠক সোহেলী পারভীন, রেখা আকতার ও জাকিয়া আহমেদ, যুবনেত্রী নাজমা পারভিন প্রমুখ।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, অনেক ধর্ষক-নিপীড়কদের পেছনে রাজনৈতিক-প্রশাসনিক ছত্রছায়া থাকার কারণে ধর্ষকেরা আজ বেপরোয়া। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিচার তাদেরকে স্পর্শ করতে পারে না। বিচারহীনতা ধর্ষণ-অনাচার কেবল বাড়িয়েই তুলছে, প্রকারান্তরে তারা উৎসাহ পাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অনাচার-অপশাসন সামাজিক অনাচারের রাস্তা আরো বাড়িয়ে দেয়। নারী ও শিশু ধর্ষণ, বলাৎকার, নিপীড়ন বন্ধে আইনের নিরপেক্ষ কঠোর প্রয়োগ, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা কার্যকর করা এবং সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করার আহ্বান জানান তারা। 

নারীর প্রতি সংহিসতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশ আজ ধর্ষণ-যৌন নিপীড়ন বাড়ছে ভয়াবহভাবে। নারী ও শিশুরা ঘরে বাইরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোথাও নিরাপদ নয়। প্রতিপক্ষকে ভোট দেবার অপরাধে এদেশে নারীকে ধর্ষিতা হতে হয়। যে থানা-পুলিশ-প্রশাসন নারীকে সুরক্ষা দেবে তারাই অনেক ক্ষেত্রে নারী নিপীড়নের সাথে যুক্ত। এই অবস্থা পরিবর্তনে জোর লড়াইয়ের আহ্বান জানান তারা।

মন্তব্য