kalerkantho

সোমবার। ২৭ মে ২০১৯। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২১ রমজান ১৪৪০

ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘গণহত্যা কর্নার’

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ০৪:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘গণহত্যা কর্নার’

পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার শিকার হওয়া ৩০ লাখ শহীদের স্মরণে ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘গণহত্যা কর্নার’ চালু হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন গতকাল বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এটির উদ্বোধন করেছেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ফারুক খানসহ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিদেশি কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

গণহত্যা কর্নারে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার তথ্য-উপাত্তের পাশাপাশি পরিদর্শক বই রাখা হয়েছে। এটি একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বৈশ্বিক প্রচারে ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, গণহত্যা কর্নার প্রতিষ্ঠার জন্য বেইলি রোডের ঐতিহাসিক সুগন্ধা ভবনকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ১৯৬০ সালে নির্মিত এই ভবনেই রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ অবস্থান করেছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার পর এই ভবনটিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই ভবনেই দু-বছর (১৯৭২-৭৪) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তখন এটিই হয়ে উঠেছিল গণভবন। ১৯৭৪ সালে শেরে বাংলা নগরে গণভবন নির্মাণ শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সেখানে স্থানান্তর করা হয়।

এদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল ১৮ এপ্রিলকে ‘ফরেন সার্ভিস ডে’ হিসেবে পালন করেছে। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশি বীর কূটনীতিকরা বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি কূটনৈতিক মিশন খুলেছিলেন। গতকাল বিকালে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রয়াত কূটনীতিক হুসেন আলী, আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ও আমজাদুল হককে সম্মান জানানো হয়। তাঁদের পক্ষে স্বজনরা সম্মাননা গ্রহণ করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেন, একাত্তরে অসামান্য অবদান রাখা কূটনীতিকদের আগামীতেও সম্মান জানানো অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য