kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

তেল-চিনির বাজার স্থিতিশীল, চড়া মাংসের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ০৩:৩৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তেল-চিনির বাজার স্থিতিশীল, চড়া মাংসের দাম

পবিত্র রমজান শুরু হতে বাকি দু সপ্তাহের একটু বেশি। এ সময়টাতে চাল, তেল, চিনি, পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল থাকায় ভোক্তারা স্বস্তিতে রয়েছেন। তবে গরু ও মুরগির মাংসের চড়া দামের কারণে কিছুটা অস্বস্তিও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা, কারওয়ানবাজার, ফার্মগেট, সেগুণবাগিচাসহ কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কোনো কোনো চালের দাম কিছুটা কমেছে। চালের দাম অবশ্য মাস দুয়েক সময় ধরেই স্থিতিশীল রয়েছে। একই সঙ্গে তেল ও চিনির বাজারে কোনো ধরণের অস্থিরতা নেই। মাস দুয়েক ধরে পেঁয়াজের দামেও কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন কম্পানির প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুধুমাত্র চিনি শিল্প কর্পোরেশনের আখের চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি দরে। তবে খোলা বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১০৬ টাকায়। তবে দুই লিটারের বিভিন্ন কম্পানির তেল সর্বোচ্চ ২১০ ও ৫ লিটারের বোতল সর্বোচ্চ ৫১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছু কিছু শপে ৫ লিটারের বোতলে ৪০-৫০ টাকা ছাড় দিয়েও বিক্রি করতে দেখা গেছে। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ২৮-৩০ টাকা এবং আমদানি করা পেঁয়াজ ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভোক্তারা বলছেন, এখন থেকেই বাজারে সরকারের নজরদরি থাকালে কেউ দাম বাড়ানোর সুযোগ পাবে না। কারওয়ান বাজারে আসা ক্রেতা আরিফুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তেল চিনির বাজারটা ঠিক রাখতে হলে অবশ্যই সরকারের নজরদারি শুরু করতে হবে। কারণ ব্যবসায়ীদের তো বিশ্বাস করা যায় না।’

কমছে না গরু ও ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম। কোনো কোনো জায়গায় গরুর মাংসের দাম আরো বেড়েছে। সেগুণবাগিচা কাঁচাবাজারে দুটি দোকানে গরুর মাংস বিক্রি হয়। দুটি দোকানই গরুর মাংসের দাম ৫৫০ টাকা কাগজে লিখে টানিয়ে দিয়েছে। একটি দোকানের বিক্রেতা সুমন বলেন, ‘৫০০ টাকা কেজি গরু বেইচ্যা লাভ থাকে না। ৫৫০ টাকা বেচলেও অল্প লাভ হয়।’

রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে মাসখানেক আগেও ৫০০-৫৩০ টাকায় গরুর মাংস পাওয়া যেত। কোনো কোনো দোকানে ৫৫০ টাকা কেজি বিক্রি হতো। তবে এখন প্রায় সব জায়গাতেই ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দু একটি জায়গায় ৫৩০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

মাস দুয়েক হয়ে গেলেও কমছে না ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির মাংস এখনো ১৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। রামপুরা বাজারের মুরগি বিক্রেতা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘এখন বেশি দাম দিয়ে পাইকারদের কাছ থেকে কিনতে হচ্ছে, তাই বেশি দামে বিক্রি করছি।’

তবে কিছুদিন ধরেই সবজির বাজারে অস্থিরতা চলছে। দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। যদিও বাজারগুলোতে নানা ধরণের সবজির সরবরাহে কোনো ধরণের ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়নি। ৫০-৬০ টাকার নিচে কোনো সবজিই খুব একটা পাওয়া যায় না। 

মন্তব্য