kalerkantho

দু’দিনব্যাপী লিডারশিপ কনফারেন্সে স্পিকার

দারিদ্র বিমোচন সহায়ক বাজেট প্রণয়নের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ১৭:৫৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দারিদ্র বিমোচন সহায়ক বাজেট প্রণয়নের আহ্বান

পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে দারিদ্র বিমোচন সহায়ক বাজেট প্রণয়নে সংসদ সদস্যগণকে ভূমিকা রাখার আহবান জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। তিনি বলেছেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উন্নয়ন সুবিধা তৃণমূলে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে। 

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ (এপিপিজি) আয়োজিত দু’দিনব্যাপী লীডারশীপ কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। লিডারশিপ কনফারেন্সের সভাপতি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি। কনফারেন্স শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন স্পিকার। ওই কনফারেন্সে ৩০ জন সংসদ সদস্য অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে স্পিকার বলেন, বর্তমান সরকার গত এক দশকে বাজেটে গুণগত পরিবর্তন এনেছে। এই সময়ে বাজেটের কলেবরও বেড়েছে। জেন্ডার ভিত্তিক বাজেট বিশেষ করে নারীদের জন্য এখন সকল মন্ত্রণালয়ে পৃথক বরাদ্দ থাকছে। এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের জন্যও পৃথক বাজেট বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বাজেট প্রণয়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। নির্বাহী বিভাগের সকল প্রক্রিয়া শেষে বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন ও পাশ করা হয়। সংসদে ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটিসমূহে সংসদ সদস্যগণের বাজেট সম্পর্কে মতামত রাখার সুযোগ রয়েছে। তাদের মতামতের ভিত্তিতে অন্তর্ভূক্তিমূলক বাজেট প্রণয়ন করা সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া রুপকল্প ২০২১ অনুযায়ী সরকার পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া ২০২৪ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল, ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন এবং ২০৪১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গঠনের লক্ষ্য অর্জনেও সরকার বদ্ধপরিকর। লক্ষ্যগুলো অর্জনে জাতীয় বাজেট কতটুকু সহায়ক তা বিশ্লেষণ করতে পারেন সংসদ সদস্যগণ। জনগণের আশা আকাঙ্খা বাজেটে প্রতিফলিত হচ্ছে কিনা সে বিষয়েও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। 

দু’দিনের ওরিয়েন্টেশনের রিসোর্স পার্সন ছিলেন বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি শহীদুজ্জামান সরকার, সরকারী হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ডা. মো. রুস্তম আলী ফরাজী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ, সিপিডি’র ডিসটিংগুইজড ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হুসেইন, কমনওয়েলথ সচিবালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিভাগের সাবেক প্রধান ও র‌্যাপিড-এর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফ ও এপিপিজি'র সেক্রেটারী জেনারেল শিশির শীল। 

মন্তব্য