kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

ইলিয়াস আলীর বাসায় ফখরুল

‘এখনো অনেকেই গুম আছেন’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০২:৩০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘এখনো অনেকেই গুম আছেন’

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ একের পর এক নির্যাতনের নিত্যনতুন কৌশল উদ্ভাবন করছে বিরোধী পক্ষকে দমিয়ে দেওয়ার জন্যে। এভাবে নতুন নতুন কৌশল উদ্ভাবন করে দমিয়ে দিয়েছেও। আমার যখন ইলিয়াস আলীর কথা মনে হয় তখনই মনে হয় একটি প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের কথা, একজন সাহসী মানুষ যিনি কখনো নতি স্বীকার করেননি। তাঁকে তারা সরিয়ে দিয়েছে। এই যে ভয়ের রাজত্ব সৃষ্টি করা, একটি ফোবিয়া তৈরি করা—আমরা এই অবস্থার অবসান চাই। আমরা মনে করি, জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এ ধরনের নির্যাতনকারী, নিপীড়নকারী সরকারের পতন হতে বাধ্য।’

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বনানীতে ইলিয়াস আলীর বাসায় যান বিএনপি মহাসচিব। এ সময় ইলিয়াসের স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, বড় ছেলে আরবার ইলিয়াস ও ছোট মেয়ে সাইয়ারা নাওয়ালসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ফখরুল।

এ সময়ে দলের নেতা আমানউল্লাহ আমান, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবীর খোকন, আয়েশা সিদ্দিকা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ফখরুল আরো বলেন, ‘গুমের ব্যাপারটা আমাদের কাছে খুব একটা পরিচিত ব্যাপার ছিল না। এনফোর্স ডিজ-এপিয়ারেন্স—এটা আমরা বইয়ে পড়তাম, ল্যাটিন আমেরিকায় এসব ঘটনা ঘটত জানতাম। বাংলাদেশে এটা শুরু হলো এই সরকার আসার পর থেকেই, ২০১১-১২ সালে। এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি গুম আছেন। যেমন—ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজমী, একজন ব্যারিস্টারসহ অনেকেই। ২০১৩ সালের দিকে যখন আন্দোলন চরম পর্যায়ে সেই সময়ে একসঙ্গে অনেক ছাত্র নেতা গুম হয়েছেন। এর মধ্যে শাহিনবাগের মামুন, সুমন, মুন্নাসহ অনেকে রয়েছেন। তাঁদের পরিবার আশা করে হয়তো তাঁরা ফিরে আসবেন। কিন্তু এখনো তাঁরা ফিরে আসেননি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো আশা করি ইলিয়াস আলী আমাদের মাঝে, তাঁর পরিবারের মাঝে ফিরে আসবেন, তাঁর ছোট্ট মেয়ে বাবা বলে ডাকতে পারবে। আমরা বিশ্বাস করি যারা নিখোঁজ হয়ে গেছে, গুম হয়ে গেছে, তারা ফিরে আসবে।’

২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মধ্যরাতে রাজধানী ঢাকা থেকে নিখোঁজ হন ইলিয়াস আলী ও তাঁর গাড়িচালক।

মন্তব্য