kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

২৫ মার্চকে ‘বিশ্ব নিষ্ঠুরতা দিবস’ পালনের আহ্বান

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ মার্চ, ২০১৯ ১৬:৩৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



২৫ মার্চকে ‘বিশ্ব নিষ্ঠুরতা দিবস’ পালনের আহ্বান

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চলাইট নামে গণহত্যা চালায় পাকিস্তানি বাহিনী। অসংখ্য সাধারণ নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও পুলিশকে হত্যা করা হয় সেই কাল রাতে। নৃশংস সেই ঘটনার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আসেনি আজও।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, সরকার গুরুত্ব দিয়েই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে কাজ করছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেহেতু এরই মধ্যে বিশ্ব জুড়ে গণহত্যা দিবস পালিত হচ্ছে তাই যোক্তিক কারণেই ২৫ মার্চ নিষ্ঠুরতা দিবস পালনের দাবি তুলে ধরা উচিত বাংলাদেশের।

প্রতিদিনের মতো সূর্য একটু একটু করে ডুবে যাচ্ছিল। অন্ধকার হয়ে আসছিল চারদিক। তবে সে অন্ধকার এতটা ঘোর কালো হবে, তা ভাবেনি কেউ।

একাত্তরের ২৫ মার্চ ব্যারাক থেকে ছেড়ে দেয়া হিংস্র পশুদের গর্জনে কম্পিত হল ঢাকা। হায়েনার মত ঝাঁপিয়ে পড়লো ঘুমন্ত মানুষের ওপর। জীবন্ত দগ্ধ করলো। টেনে হিচড়ে হত্যা করা হল অসংখ্য মানুষকে। সেই রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইন, পিলখানার তৎকালীন ইপিআর ক্যাম্প, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল, জহুরুল হক হল ও রোকেয়া হলসহ সারা ঢাকা শহরে গণহত্যা চালায় বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী।

২০১৭ সাল থেকে রাষ্ট্রীয় ভাবে এই দিনটিকে গণহত্যা দিবস হিসাবে পালন করছে বাংলাদেশ। তবে এখনো আসেনি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। ব্যক্তিগতভাবে কেউ কেউ এ বিষয়ে তৎপর হলেও রাষ্ট্রীয় সহায়তার অভাবে তা সাফল্যের মুখ দেখেনি।

মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ডা. এম এ হাসান বলেন, ইউনেস্কোর এডি পিয়েরে সেন আমাকে চিঠি দিয়েছিলেন যে, এই দিনটিকে তারা যুদ্ধ-নিষ্ঠুরতা বা এমনকোনো নামে পালন করতে রাজি আছে। আমি সেই চিঠি বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছিলাম কিন্তু তারা গুরুত্ব দেয়নি।

৯ ডিসেম্বর গণহত্যা দিবস পালন করছে বিশ্ব। আর তাই যৌক্তিক কারণেই ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস নয় বরং নিষ্ঠুরতা দিবস পালনের দাবি বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ডা. এম এ হাসান বলেন, একটা দিবস যেহেতু ঘোষিত হয়ে গেছে সেহেতু আরেকটি দিবস নয়, বরং অন্য কোনো নামে দিবস হতে পারে।

তবে, পঁচিশে মার্চ গণহত্যা দিবস করার দাবি নয়, সরকার কাজ করছে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি আদায়ে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, হাঠৎ করে রেজুলেশন উপস্থান করে পর্যাপ্ত সমর্থন না পাওয়ার চেয়ে আমরা এখন যেটা করছি, যত বেশি সম্ভব সদস্য রাষ্ট্রকে সম্মত করা; এটা কয়েক বছর অব্যহত থাকবে।

সরকারে কাছে সংরক্ষিত তথ্য উপাত্ত দিয়েই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় সম্ভব বলেও মনে করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা