kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১              

সংসদে গৃহায়ণমন্ত্রী

যুদ্ধাহত অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা পরিত্যক্ত বাড়ি বরাদ্দ পাবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০১:৩৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যুদ্ধাহত অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা পরিত্যক্ত বাড়ি বরাদ্দ পাবেন

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

শহীদ ও যুদ্ধাহত অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা নির্দিষ্ট কোনো পরিত্যক্ত বাড়ি বরাদ্দের জন্য আবেদন করলে প্রচলিত বিধি বিধান অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেছেন, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিত্যক্ত বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বরাদ্দের এই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এতথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এ সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী। জবাতে তিনি আরো জানান, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরাও পরিত্যক্ত বাড়ি বরাদ্দ পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সকল উপজেলাকে মাস্টার প্লানের আওতায় এনে যত্রতত্র যাতে বাড়িঘর না হয়, সেজন্য পরিকল্পিত আবাসনের পরিকল্পনা বাস্তাবায়নের জন্য ইতোমধ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে সবার জন্য আবাসনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে সকল উপজেলায় আবাসনের পরিকল্পনা এক সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ নেই। একটা আবাসনের প্রকল্প গ্রহণের পর চিন্তায় রাখতে হয় সেখানকার প্লটগুলো যারা আগ্রহী তারা নেবেন কি না। আমাদের লক্ষ্য আছে সকল জেলা-উপজেলায় পরিকল্পিত আবাসন, কিন্তু সেটা হতে হবে নিষ্কন্টক জমিতে।

সরকারি দলের আরেক সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী কেউ গৃহহীণ থাকবে না। ঘোষণার আলোকে নিম্ন আয়ের অসহায় মানুষের গৃহায়নের জন্য জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে ঢাকার মিরপুরে ১১নং সেকশনে বস্তিবাসীদের জন্য ভাড়া ভিত্তিক ৫৩৩টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ২০১৭ সালের ২৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করেছেন। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ চলমান আছে। আগামী ২০২০ সালে প্রকল্পটি শেষ হবে। 

তিনি আরো জানান, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের আওতায় অসহায় মানুষের জন্য বাসস্থান/ফ্ল্যাট তৈরির লক্ষ্যে দেশের চিহ্নিত তিনটি পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাসস্থান উন্নয়নের একটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ চলমান রয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় প্রকল্পটিতে ৫ হাজার ৭০০ ইউনিট বাসস্থান নির্মাণ/সংস্কার/সম্প্রসারণের সংস্থান রাখা হয়েছে। প্রকল্পটি আগামী ২০২০ সালের ৩১ মার্চ শেষ হবে।

গৃহায়ন মন্ত্রী জানান, সরকারি অর্থায়নে ঢাকার মিরপুরে আলাদা দুটি প্রকল্পে বস্তিবাসী ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ভাড়া ভিত্তিক আরো ১০ হাজার ৫৩০ টি এবং চট্টগ্রাম জেলার বাকুলিয়ায় ২ হাজার ৬৮৮টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল জেলার গৃহহীন মানুষের মাঝে স্বল্প খরচে ফ্ল্যাট ও প্লট বরাদ্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা