kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৪ অক্টোবর ২০১৯। ৮ কাতির্ক ১৪২৬। ২৪ সফর ১৪৪১       

জঙ্গি ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেছিল জেএমবি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৫:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জঙ্গি ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেছিল জেএমবি

ছবি অনলাইন

গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে জেএমবি সদস্য ও হলি আর্টিজান হামলা মামলার আসামি মামুনুর রশিদ ওরফে রিপন ওরফে রেজাউল ওরফে রেজাউল করিম ওরফে আবু মুজাহিরকে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

আটক রিপনের কাছ থেকে জানা যায়, দেশে আবারো জঙ্গি সদস্যদের ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেছিল জেএমবি।

হলি আর্টিজান হামলায় ব্যবহৃত অর্থ, অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করেন রিপন। ২০১৮ সালের শুরুর দিকে দেশে ফিরে এসে স্তিমিত হয়ে যাওয়া জেএমবিকে ফের সংগঠিত করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি।

হলি আর্টিজান মামলায় আদালতে শুনানি চলছে, সেই সুযোগে আবারো জঙ্গি সদস্যদের ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেছিল রিপন।

আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আটক রিপনের বিষয়ে নানা তথ্য জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালে পূর্বপরিচিত ডা. নজরুলের মাধ্যমে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয় এবং ধীরে ধীরে সে জেএমবির প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে রিপনের দায়িত্ব ছিল ইয়ানত (চাঁদা) সংগ্রহ করে ডা. নজরুলের কাছে পৌঁছে দেওয়া। ডা. নজরুল সে সময়ে জেএমবির একাংশের আমির ছিলেন।

পরবর্তী সময়ে জেএমবির সারোয়ার জাহান গ্রুপের জন্য নতুন করে অর্থ ও সদস্য সংগ্রহ করার কাজ হাতে নেয় রিপন। এরই অংশ হিসেবে রিপন বিকাশের দোকান লুটসহ ছিনতাই করা ৮ লাখ টাকা সারোয়ার জাহানকে দেয় সে।

২০১৫ সালের মাঝামাঝিতে এক বৈঠকে রিপন জেএমবির সুরা সদস্য হিসেবে নিয়োজিত হন। তার দায়িত্ব ছিল অর্থ সংগ্রহ, সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং অস্ত্র ও বিস্ফোরণ সরবরাহ করা।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গাইবান্ধাতে এক বৈঠকে হলি আর্টিজানে হামলার সিদ্ধান্ত হয়। সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হামলার আগে এপ্রিল মাসে রিপন পার্শ্ববর্তী দেশে চলে যায়। সেখান থেকে হামলার আগে রিপন আনুমানিক ৩৯ লাখ টাকা সারোয়ার জাহানকে পাঠায়। হলি আর্টিজানে ব্যবহৃত তিনটি একে ২২ রাইফেল, পিস্তলসহ বিস্ফোরকগুলো কল্যাণপুরে পাঠায়। মারজানের মাধ্যমে এরপর সেগুলো সারোয়ার জাহানের কাছে পৌঁছায়।

এছাড়া উত্তরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জঙ্গি হামলার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে রিপন ছিলেন এবং সেসব ঘটনা রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বে সংগঠিত হয়েছিল বলে জানায় র‌্যাব।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা