kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

ড. কামালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২৩:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ড. কামালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের উদ্দেশে ‘বিরূপ’ মন্তব্য করার দায়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

শুক্রবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক ও দৈনিক বাংলাদেশ সময় এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান এই অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান উল্লেখ করেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শুক্রবার সকালে শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন কামাল হোসেন। এরপর সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধের বেদির সামনে ড. কামাল হোসেনকে, ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামীর কোনো সম্পর্ক আছে কিনা? এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হলে এবং আগামী নির্বাচনে জামায়াত প্রশ্নে ঐক্যফ্রন্টের অবস্থান জানতে চাইলে তিনি ডিজিটাল ডিভাইসে টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারকালীন আমার সহকর্মী সাংবাদিকদের ভৎর্সনা করেন এবং অসম্মানের সাথে উল্টো জিজ্ঞাসা করেন, ‘কত টাকা পেয়েছ? কাদের টাকায় এসব বেহুদা প্রশ্ন করছ? তোমাদের নাম কী? দেখে নেব। কোন টিভি/পত্রিকায় কাজ কর? চিনে রাখব।’- এই মর্মে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেন। যা বাংলাদেশের কোটি দর্শক দেখেছেন এবং তার এই বক্তব্যে বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজের গৌরবোজ্জ্বল ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবার পাশাপাশি অবর্ণনীয় অসম্মানিত হয়েছে।

ওই অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, একই সাথে গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে গভীর ভীতির সঞ্চার হয়েছে। ড. কামাল হোসেনের এ ধরনের হুমকি ও ভয়-ভীতি প্রদর্শনমূলক বক্তব্য বাংলাদেশে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মত প্রকাশে সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী এবং ভয়াবহ হুমকিও বটে। যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এবং বাংলাদেশ পেনাল কোড আইনের আলোকে ফৌজদারি অপরাধ।

বিষয়টি আমলে নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানানো হয় ওই অভিযোগে।

অভিযোগ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রতন শেখ গণমাধ্যমকে বলেছেন, অভিযোগটির তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা তার অভিযোগটি নিয়ে একটি জিডি করে ডিএমপি অর্ন্তভুক্ত দারুস সালাম থানায় পাঠিয়েছি। তারা পরবর্তী কার্যক্রম পরিচলনা করবেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা