kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী বললেন

২০২০ সালের মধ্যে ইটভাটা তুলে দেওয়া উচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০৩:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২০২০ সালের মধ্যে ইটভাটা তুলে দেওয়া উচিত

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। ফাইল ছবি

পরিবেশ রক্ষায় ২০২০ সালের মধ্যে দেশ থেকে ইটভাটা তুলে দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, জমির উপরিভাগের মাটি ব্যবহার করে ইট তৈরির ফলে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ কারণে ইটভাটার ওপর বেশি বেশি কর আরোপ করতে হবে। ইটের পরিবর্তে হলগ্রাম বা কংক্রিটের ব্যবহার বাড়াতে হবে।

গতকাল বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘পোড়া ইটের বিকল্প কংক্রিট ব্লক’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক অমিতশ পাল। 

গৃহায়ণ মন্ত্রী বলেন, ইটের খোয়ায় নির্মিত রাস্তার স্থায়িত্ব অনেক কম। কোথাও ইটের খোয়া দিয়ে রাস্তা করলে দেখা যায় ছয় মাসের মধ্যে সেগুলো গলে যাচ্ছে অথবা গুঁড়ো হয়ে যাচ্ছে। আর কংক্রিটের ব্লক দিয়ে রাস্তা করলে তার স্থায়িত্ব দীর্ঘদিন হয়। তাই ইটের খোয়ার পরিবর্তে পাথরের চিপস দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন প্রকৌশলী ম ইনামুল হক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সাধারণ সম্পাদক ড. আদিল মুহাম্মদ খান প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ রেডিমিক অ্যান্ড কংক্রিট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মো. আব্দুল আউয়াল। মূল প্রবন্ধে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, দেশে বছরে ন্যূনতম ১৭.২ বিলিয়ন পিস ইট তৈরি করা হয়। প্রতি মিলিয়ন ইট তৈরিতে পোড়াতে হচ্ছে ২৪০ মিলিয়ন টন কয়লা। কয়লার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে বনভূমি ধ্বংস করে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ ও বাঁশ। ইটভাটাগুলো থেকে বছরে কম করে হলেও ৯.৮ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হচ্ছে বায়ুমণ্ডলে। যা দেশের মোট কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমনের প্রায় ২৩ শতাংশ। সঙ্গে যোগ হচ্ছে কার্বন মনোঅক্সাইড ও সালফার-ডাই অক্সাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাস।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা