kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১০ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৮ সফর ১৪৪৪

আব্দুল্লাহ ইবনে আবু আওফা (রা.)

কুফায় ইন্তেকালকারী সর্বশেষ সাহাবি ছিলেন যিনি

মাইমুনা আক্তার   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৩:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুফায় ইন্তেকালকারী সর্বশেষ সাহাবি ছিলেন যিনি

গ্র্যান্ড মসজিদ, কুফা ইরাক। ছবি : সংগৃহীত

ইসলাম প্রচারে নবীজি (সা.)-এর সাহাবিরা বিশ্ব দিক-দিগন্তে ছড়িয়ে গেছেন। ফলে অনেক সাহাবিই নিজের দেশ থেকে বহু দূরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে আবু আওফা (রা.) তাঁদের একজন। তিনি ৮৬ বা ৮৮ হিজরি সনে ইরাকের কুফায় ইন্তেকাল করেন।

বিজ্ঞাপন

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ১০০ বছরের কাছাকাছি। বলা হয়, তিনি কুফায় ইন্তেকালকারী সর্বশেষ সাহাবি। (সিয়ারু আলামিন নুবালা : ৪/৪৩৬-৪৩৭)

আবু আওফা (রা.) ছিলেন একজন বিজ্ঞ ফিকাহবিদ ও বয়স্ক সাহাবি। তাঁরও বাবা ও তিনি উভয়জনই নবীজি (সা.)-এর সাহাবি হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন, হোদায়বিয়ার বাইআতে রিজওয়ানে।

বিভিন্ন হাদিস বর্ণনাকারী তাঁর থেকে বেশ কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি প্রায়ই নবীজি (সা.)-এর দরবারে যেতেন। একদিন নবীজি (সা.) তাঁর জন্য বিশেষ দোয়া করেছেন। তিনি যখন তাঁর বাবা আবু আওফার জাকাত নিয়ে রাসুল (সা.)-এর খেদমতে উপস্থিত হন, তখন রাসুল (সা.) তাঁর জন্য এই বলে দোয়া করেন, ‘হে আল্লাহ, আবু আওফার পরিবারের ওপর রহমত নাজিল করুন!’ অনুরূপ দোয়া তাঁর পিতার জন্যও করেছিলেন, যখন তিনি তাঁর গোত্রীয় লোকের জাকাত নিয়ে রাসুল (সা.)-এর খেদমতে উপস্থিত হয়েছিলেন।

সৌভাগ্যবান এই সাহাবি নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে বেশ কিছু যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, আমরা রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধ করেছি। হুনাইনের যুদ্ধে তাঁর একটি হাতের বাহু মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিল।

রাসুল (সা.)-এর ইন্তেকাল পর্যন্ত মদিনাতেই বসবাস করতেন। এরপর স্থায়ীভাবে চলে যান কুফায়। সেখানেই ইন্তেকাল করেন। জীবনে শেষ সময়ে তিনি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন। (সাহাবায়ে কেরামের আলোকিত জীবন : পৃষ্ঠা ৫৬৯)



সাতদিনের সেরা