kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৩০ সফর ১৪৪৪

৫০ বছর ধরে জমানো বই দান করলেন ৮০ বছরের বৃদ্ধ

অনলাইন ডেস্ক   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৫:৫৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৫০ বছর ধরে জমানো বই দান করলেন ৮০ বছরের বৃদ্ধ

প্রত্যন্ত গ্রামের বইপ্রেমী হামদুল্লাহ আবদুল হাফিজ। গত ৫০ বছর ধরে বই সংগ্রহ করেন ৮০ বছর বয়সী এ বৃদ্ধ। অর্ধশতাব্দিকালে তার ঘরে জমা হয় ১৫ হাজারের বেশি বই। মিসরের দাকহালিয়া অঞ্চলের প্রত্যান্ত গ্রামে তার বসবাস।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু জীবনের পড়ন্ত বেলায় গ্রামের এক গ্রন্থাগারে দান করে দেন সব বই।  

সংগৃহীত সব বই নিজের কাছেই রেখে দেননি তিনি। বরং পড়ার সুযোগ দিয়েছেন গ্রামের পাঠকদের। তাই নিজের ব্যক্তিগত লাইব্রেরির দরজার সব সময় খোলা রেখেছেন তিনি। পাঠকদের কাছে বই ধার দিয়ে সবার প্রিয়জনে পরিণত হন তিনি। আবার পুরো বই শেষের পর পর্যালোচনাও করেন তিনি।  

গ্রামের মধ্যে হামদুল্লাহ আবদুল হাফিজের ব্যক্তিগত সংগ্রহ সবচেয়ে সমৃদ্ধ। তাই তার বাড়িতেই বই পড়তে আসেন সবাই। ছোট্ট গ্রামবাসীর কাছে জানার্জনের অন্যতম মাধ্যম তিনি। কোরআন, হাদিস, আরবি ভাষা ও সাহিত্যসহ ইসলামের নানা শাখার গুরুত্বপূর্ণ ও দুর্লভ পাণ্ডুলিপি রয়েছে তার সংগ্রহে।  

তার সংগ্রহে থাকা বই নিয়মিত পড়েন স্থানীয় নারী পাঠক রাবাব হামুদা। সম্প্রতি রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘এখানে বইয়ে বিশাল সংগ্রহ রয়েছে। আমি শায়য়ের সঙ্গে তার পড়া বই নিয়ে আলোচনা করি। অনেক সময় তার সঙ্গে তাজবিদসহ কোরআন পাঠের চর্চা করি। তাছাড়া হাদিস, ফিকাহ ও সুন্নাহ নিয়েও আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়। ’ ব্যক্তিগত সংগৃহের বইগুলো এলোমেলোভাবে থাকায় সবাই তা থেকে উপকৃত হতে পারেন না। তাই সব পাঠকদের জন্য সহজ করতে বইগুলো সুবিন্যস্ত করার কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
 
তিনি আরো বলেন, সময়ের সবচেয়ে দামি বন্ধু হলো বই। যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে বই সর্বোত্তম বন্ধু। স্বাধীনভাবে বইয়ের পাতায় বিচরণে সুযোগ পান পাঠকরা। তাই স্মার্টফোনের চেয়ে বই সর্বোত্তম বন্ধু। ’ রয়টার্সকে রাবাব আরো বলেন, ‘মূলত আমাদের গ্রামে কোনো গ্রন্থাগার নেই। ফলে এখানে বইপ্রেমী পাঠক খুবই কম। মহান আল্লাহর কাছে কামনা, তিনি যেন আমাদের একটি স্থানে বইগুলো সংরক্ষণ ও সুবিন্যস্ত গ্রন্থাগার তৈরির ব্যবস্থা করে দেন। ’



সাতদিনের সেরা