kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

রমজানে মসজিদুল হারামে দুই কোটির বেশি মুসল্লির নামাজ

অনলাইন ডেস্ক   

১ মে, ২০২২ ১৫:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রমজানে মসজিদুল হারামে দুই কোটির বেশি মুসল্লির নামাজ

করোনা মহামারির দুই বছর পর এবার পবিত্র মসজিদুল হারামে তারাবির নামাজসহ অন্যান্য কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। রমজান মাসে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের তৃতীয় সম্প্রসারিত অংশে প্রায় দুই কোটি মুসল্লি নামাজ আদায় করেছেন। সৌদি বার্তা সংস্থার সূত্রে আরব নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।  

গ্র্যান্ড মসজিদের তৃতীয় সম্প্রসারিত অংশের পরিচালক ওয়ালিদ আল-মাসুদি জানান, মসজিদ সম্প্রসারিত অংশে প্রতি স্কয়ার ফিটে আড়াই লাখ মুসল্লির বেশি নামাজ পড়েছেন।

বিজ্ঞাপন

সেই হিসেবে প্রতি ঘণ্টায় ৫ লাখের বেশি মুসল্লি তাতে এসেছেন। সৌদি নেতৃবৃন্দের আকাঙ্খা পূরণ করে পবিত্র দুই মসজিদের পরিচালনা পর্ষদের নির্দেশনায় বিপুল সংখ্যক মুসল্লির নামাজের ব্যবস্থা করা হয়।  

পবিত্র রমজান মাসের শুরুতে হারাম শরিফের তৃতীয় ধাপের সম্প্রসারিত অংশের ৮০টি নামাজের হল প্রথমবারের মতো মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করা হয় বলে জানান আল মাসুদি।  

আল-মাসুদি আরো বলেন, পবিত্র রমজান মাসের সারাদিন মুসল্লিদের জন্য পুরো মসজিদ চত্বর উন্মুক্ত ছিল। সম্প্রসারণ ভবনের সব ফ্লোর, নিচতলায়, প্রথম তলা, প্রথম মেজানাইন, দ্বিতীয় তলা, দ্বিতীয় মেজানাইন, বারান্দা ও আশেপাশের উত্তর-পশ্চিম স্কোয়ার মুসল্লিদের জন্য খুলে দেওয়া হয়।  

২০২০ সাল থেকে বৈশ্বিক করোনা মহামারি সংক্রমণ রোধে দুই বছর যাবৎ মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদে ইতিকাফ ও ইফতারের আয়োজন স্থগিত ছিল।   সর্বশেষ গত ৫ মার্চ সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক পরিধানসহ করোনাবিধি শিথিল করে সৌদি আরব। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি করোনাকালের দীর্ঘ ৩০ মাস পর সাত বছর বা এর বেশি বয়সী শিশুদের মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববিতে প্রবেশের অনুমোদন দেওয়া হয়।       

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সর্বশেষ ২০২১ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে পবিত্র কাবা প্রাঙ্গণে সামাজিক দূরত্বসহ সব ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। এর আগে গত বছরের ১৭ অক্টোবর সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক পরাসহ করোনা বিষয়ক বিধি-নিষেধ শিথিল করেছিল সৌদি সরকার।

২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাবের পর প্রথমবারের মতো সতর্কতামূলক কঠোর বিধি-নিষেধ জারি করে সৌদি আরব। তখন ওমরাহ পালনে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এরপর জরুরি অবস্থা জারি করে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করার পাশাপাশি সব অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিষেবা স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে সীমিত পরিসরে ওমরাহ ও হজ কার্যক্রমের ব্যবস্থা করা হয়।

সূত্র : আরব নিউজ



সাতদিনের সেরা