kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ মাঘ ১৪২৮। ১৮ জানুয়ারি ২০২২। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

‘হালাল মার্কেট’ নিয়ে ইস্তাম্বুলে শীর্ষ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক   

২৮ নভেম্বর, ২০২১ ১৬:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘হালাল মার্কেট’ নিয়ে ইস্তাম্বুলে শীর্ষ সম্মেলন

বিশ্বের শীর্ষ বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের হালাল পণ্য নিয়ে  ইস্তাম্বুলে শুরু হয়েছে হালাল এক্সপো। বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) শুরু হওয়া এ প্রদর্শনীতে ৩৫টি দেশ থেকে চার শর বেশি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তিন দিনের এ আয়োজনে বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীদের ভিড়ও ছিল প্রবল। 

হালাল পণ্য নিয়ে অষ্টম হালাল এক্সপো ও অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) সপ্তমবারের মতো হালাল সামিটের আয়োজন করে। দি ইসলামিক সেন্টার ফর দ্য ডেভেলপম্যান্ট অব ট্রেড (আইসিডিটি) এবং দি ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক কান্ট্রিস ফর স্ট্যান্ডারাইজেশন অ্যান্ড মেট্রোলজি (এসএমআইআইসি) হালাল পণ্যের এক্সপো ও শীর্ষ সম্মেলন যৌথভাবে আয়োজন করেছে।

তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীতে হালাল খাদ্যপণ্য, প্রসাধন সামগ্রীর পাশাপাশি পর্যটন খাতেও অন্যান্য হালাল পণ্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করা হয়েছে। দর্শকদের কাছে নিজেদের পণ্য ও উৎপাদনক্ষমতা সম্পর্কে নানা রকম তথ্য প্রদান করেছে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। 

শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকতায় বলেছেন, ২০১৭ সালে বিশ্ব হালাল অর্থনীতির আকার ছিল চার ট্রিলিয়ন ডলার। এখন তা বেড়ে সাত ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। মানুষ শুধু হালালই চায় তা নয়, বরং পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পণ্য সবারই প্রত্যাশা। তাই শুধু মুসলিমরাই নয়, সব মানুষই হালাল পণ্য খোঁজে।

ফুয়াত ওকতায় আরো বলেন, বর্তমানে ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি ও নিউজিল্যান্ডের মতো দেশগুলো সবচেয়ে বেশি হালাল পণ্য উৎপাদন করছে। অথচ দেশগুলোর সমাজ এমন যে যেখানে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়। 

স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান আদম সাহিন বলেছেন, হালাল সার্টিফিকেশনে সক্রিয় সংস্থাগুলো এখনো কোনো সাধারণ ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারেনি। ফলে সবার মধ্যে এক ধরনের আস্থা ও বিশ্বাসের সমস্যা তৈরি হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে আমাদের দেশের বড় ইচ্ছা যে মুসলিম দেশগুলো এক ছাদের নিচে সমবেত হবে এবং মানবতার স্বার্থে কাজ করতে অভিন্ন মানদণ্ড গ্রহণ করবে। 

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি।



সাতদিনের সেরা