kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ভারতের প্রধান ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর প্রজনন হার হ্রাস : পিউ রিসার্চ

অনলাইন ডেস্ক   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৬:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতের প্রধান ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর প্রজনন হার হ্রাস : পিউ রিসার্চ

ভারতের সব ধর্মগোষ্ঠীর মধ্যে প্রজনন হার হ্রাস পেয়েছে বলে এক সমীক্ষায় জানা যায়। প্রধান ধর্মগুলোর মধ্যে মুসলিমরা অদ্যোবধি সর্বোচ্চ প্রজনন হারের অধিকারী। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে আছে হিন্দু ধর্ম। আর সর্বনিম্ন প্রজনন হারে রয়েছে জৌন ধর্ম।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক থিংক ট্যাঙ্ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের প্রতিটি ধর্মীয় গোষ্ঠী তার উর্বরতা হ্রাস পেয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ভারতের সব ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে প্রজনন হার কমেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ ও সংখ্যালঘু জৌন ধর্মগোষ্ঠীর মধ্যেও ব্যাপকভাবে তা হ্রাস পায়। তাতে আরো বলা হয়, ভারতের প্রধান ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে মুসলিমরা অদ্যোবধি সর্বোচ্চ প্রজনন হারের অধিকারী। এরপর আছে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু ও সংখ্যালঘু জৌন ধর্ম।

১৯৯২ সালে প্রকাশিত পিউ রিসার্চের সমীক্ষা ও এবারের সমীক্ষা অভিন্ন হলেও ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে আগের চেয়ে প্রজনন হ্রাস পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তখন মুসলিমদের জনসংখ্যার হার ছিল ৪.৪। আর হিন্দুদের জনসংখ্যার ছিল ৩.৩। কিন্তু এরপর থেকে প্রধান ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর সন্তান ধারণ আগের চেয়ে অনেক গুণ হ্রাস পায়। 

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের পর হিন্দ ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে  দেশ ভাগ হয়। ১৯৫১ সালে স্বাধীন ভারতে সর্বপ্রথম আদমশুমারি হয়। তখনকার সেই জনসংখ্যা ৩৬১ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ২০১১ সালের আদমশুমারিতে ১.২ বিলিয়ন হয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিয়ষ হলো, এই সময়ে ভারতের প্রধান ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে জনসংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়ে। হিন্দু জনসংখ্যা ৩০৪ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ৯৬৬ মিলিয়ন হয়। এদিকে মুসলিম জনসংখ্যা ৩৫ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ১৭২ মিলিয়ন হয়। আর ভারতীয় খ্রিস্টানদের সংখ্যা ৮ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ২৮ মিলিয়ন হয়। 

সূত্র : বিবিসি ও জি নিউজ 



সাতদিনের সেরা