kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৫ কার্তিক ১৪২৮। ২১ অক্টোবর ২০২১। ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

পাকিস্তানের মাদরাসা বোর্ডের সভাপতি হলেন মুফতি তাকি উসমানি

অনলাইন ডেস্ক   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১১:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাকিস্তানের মাদরাসা বোর্ডের সভাপতি হলেন মুফতি তাকি উসমানি

আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি

পাকিস্তানের মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিস আরাবিয়ার সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্বখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও সাবেক ফেডারেল শরিয়া আদালতের বিচারক আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি। রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেফাকের সভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচনের শুরা বৈঠকে তাঁকে সভাপতি করা হয়। 

দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে জানা যায়, লাহোরের জামিয়া আশরাফিয়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি হিসেবে মুফতি তাকি উসমানি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। আর সহসভাপতি হিসেবে জামিয়া হক্কানিয়ার মাওলানা আনোয়ারুল হক নির্বাচিত হন। 

বৈঠকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান বেফাকের প্রধান হিসেবে মুফতি তাকি উসমানির নাম প্রস্তাব করেন। বৈঠকে উপস্থিত অন্যদের একাত্মতার মাধ্যমে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন।

এর আগে বেফাকের সভাপতি ছিলেন মাওলানা ড. আবদুর রাজ্জাক ইস্কান্দার। তিনি গত ৩০  জুন মারা যান। তিনি জামিয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়ার মহাপরিচালক ও তাহাফফুজে খতমে নবুয়তের আন্তর্জাতিক কার্যনির্বাহী কমিটির প্রধান ছিলেন। 

মুফতি তাকি উসমানি ইসলামী চিন্তাবিদ হিসেবে পুরো বিশ্বে সমাদৃত। ইসলামী অর্থনীতি ও আইন আধুনিক বিশ্বের অন্যতম ব্যক্তিত্ব। এসব বিষয়ে আরবি, উর্দু ও ইংরেজিতে তিনি অসংখ্য বই রচনা করেন। মুফতি তাকি উসমানি ১৯৪৩ সালে ভারতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পাকিস্তানের বিখ্যাত ইসলামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম করাচির উপপরিচালক। পাকিস্তানের প্রথম গ্র্যান্ড মুফতি শফি (রহ.)-এর ছেলে এবং বর্তমান গ্র্যান্ড মুফতি রফি উসমানির ছোট ভাই। 

১৯৮০-১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তানের ফেডারেল শরিয়া আদালতের বিচারক ছিলেন। ১৯৮২-২০০২ সাল পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের শরিয়াহ আপিল বেঞ্চের বিচারক ও সৌদির জেদ্দাভিত্তিক ফতোয়া বোর্ডের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি আটটি ইসলামী ব্যাংকের শরিয়া বোর্ডের উপদেষ্টা ও আল বালাগ ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

সূত্র : দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল। 



সাতদিনের সেরা