kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১।৮ সফর ১৪৪৩

বহু ভাষা ও সংস্কৃতির ছোঁয়া পেতে মার্কিন মুসলিম দম্পতির কফিশপ

অনলাইন ডেস্ক   

৩০ আগস্ট, ২০২১ ১৮:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বহু ভাষা ও সংস্কৃতির ছোঁয়া পেতে মার্কিন মুসলিম দম্পতির কফিশপ

বহু ভাষা ও সংস্কৃতির ছোঁয়া পেতে কফিশপ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক মুসলিম দম্পতি। উষ্ণ কফির ঘ্রাণ, ফরাসি পেস্ট্রিসহ বাহারি সব খাবারের আয়োজন। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো, এখানে এসে যে কেউ নানা দেশের নানা ভাষা ও সংস্কৃতির আবেশে ভিন্ন এক জগতে ঢুকবে। 

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা রাজ্যের এমওটিডাব্লিও কফি অ্যান্ড পেস্ট্রিস বহু সংস্কৃতির সমন্বয়ে গড়া এক কফিশপ। নানা শ্রেণির মানুষকে সমবেত করার প্রেরণা থেকে মুসলিম দম্পতি সাজ্জাদ শাহ ও ফাতিমা শাহ এ কফিশপ তৈরি করেন। গত জুন মাসের মাঝামাঝি সময় কফিশপটি চালু হয়। 

মূলত মানুষের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র তুলে ধরতে ২০১৪ সাল থেকে শাহ দম্পতি মুসলিম অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইনস্টাগ্রাম নামে একটি পেজ চালু করেন। সেখান থেকেই এ কফি শপ স্থাপনের পক্রিয়া শুরু হয়। ইনস্টাগ্রামের এ পেজে বর্তমানে ৬ লাখ ২৫ হাজারের বেশি ফলোয়ার আছে। বিশ্বের নানা প্রান্তের মুসলিম নারী ও পুরুষরা এ পেজে নিজেদের বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরেন। 

সাজ্জাদ শাহ বলেন, ‘কফিশপের মূল লক্ষ্য হলো, মানুষকে একত্রিত করা, যা আমরা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টায় আছি। মানুষ একটি স্থানে এসে অন্যজন সম্পর্কে জানতে পারবে। হ্যাঁ, অনেকে এটাকে ‘মুসলিমস অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ বা ‘বিশ্বের মুসলিম’ নামে অভিহিত করে। তবে বাস্তবতা হলো, আমাদের অধিকাংশ গ্রাহক অমুসলিম।’ 

সাজ্জাদ শাহ আরো বলেন, ‘সম্প্রতি আমাদের এ শপে বাইবেল পাঠের অনুষ্ঠান হয়েছে। তাই এটা শুধুমাত্র ইসলাম বা মুসলিমদের জন্য নয়। বরং এ শপের শক্তিশালী বার্তা হলো, মানবসমাজকে একটি স্থানে সমবেত করা।’ 

এ কফিশপের যারা কাজ করেন তারা সবাই নারী। পাঁচটি দেশের নারীরা এখানে কাজ করেন। শুধু তাই নয়, ছয়টি ভাষায় তারা গ্রাহকদের সেবা দিয়ে থাকেন। স্পেনিশ, ইংরেজি, আরবি, ফ্রেঞ্চ, জাপানিজ ও উর্দু ভাষায় তারা গ্রাহকদের থেকে অর্ডার নিয়ে থাকেন। 

বিভিন্ন সময় নানা ইস্যু নিয়ে এ কফিশপে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মূলত মানুষকে একে অপরের কাছে আনতেই এ ধরনের ভিন্নধর্মী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান এর সত্ত্বাধিকারী সাজ্জাদ শাহ। 

সাজ্জাদ বলেন, ‘সম্প্রতি ফিলিস্তিন ইস্যুতে বিশ্ব উত্তপ্ত ছিল। তখন আমরা তিনজন ফিলিস্তিনি বক্তাকে আমাদের শপে আমন্ত্রণ জানাই। তারা চলমান ইস্যু নিয়ে কথা বলেন। অনেক বিষয়ে সারা বিশ্বের মানুষ ভুল তথ্যের শিকার হন। তাই নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে নির্দিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’ 

সূত্র : ফডরস ট্রাভেলস



সাতদিনের সেরা