kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

যে আলেমের দাওয়াতে লাখো মানুষ ইসলামের ছায়াতলে

অনলাইন ডেস্ক   

২৩ জুন, ২০২১ ১৭:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যে আলেমের দাওয়াতে লাখো মানুষ ইসলামের ছায়াতলে

শায়খ ওয়াহিদুদ্দিন আবদুস সালাম বালিফ

বিশ্ববিখ্যাত ইসলামী ব্যক্তিত্ব ও দায়ী শায়খ ওয়াহিদুদ্দিন আবদুস সালাম বালি। সমকালীন মিসরীয় আলেম ও ইসলামী চিন্তাবিদ। পৃথিবীর দেশে দেশে ইসলামের বার্তা পৌঁছে দেন তিনি। তাঁর হাতে দেড় লাখের বেশি মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছেন। 

শায়খ ওয়াহিদ আবদুস সালাম বালি ১৯৬৩ সালে মিসরের কাফর আল শেখ প্রদেশের আহমদ সুলাইমান গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৫ সালে তিনি আরবি ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। এসময় তিনি পবিত্র কোরআন হেফজ করেছেন। এরপর থেকে ইলম প্রচার ও ইসলামের দাওয়াতে পুরোপুরি নিমগ্ন হন। 

শায়খ বালি প্রথম দিকে মধ্যে জাদু, জিন ও শয়তানের প্রভাব থেকে মানুষকে মুক্ত রাখতে শরিয়াহভিত্তিক রুকাইয়াহ অনুসরণ করেন। অনেক মানুষ তাঁর মাধ্যমে নানাধরনের মানসিক রোগ থেকে মুক্তি লাভ করেন। ইসলামের অনন্য শিক্ষা ও আধ্যাত্মিক উন্নতি সাধনে তিনি অর্ধশত গ্রন্থ রচনা করেন। 

বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরবি ভাষায় তিনি কোরআন হাদিসের উদ্ধৃতি নিয়মিত শেয়ার করেন। মানুষের সুন্দর আচার-ব্যবহার ও উন্নত চিন্তা-ভাবনা তৈরিতে তাঁর লেখায় বিশেষ আহ্বান থাকে। 

মিসর, সিরিয়া, সৌদি আরবসহ আরববিশ্বের স্বনামধন্য আলেম ও মুহাদ্দিসদের কাছে তিনি উচ্চতর শিক্ষাগ্রহণ করেন। শায়খ আবদুল আজিজ বিন বাজ (রহ.), শায়খ মুহাম্মদ বিন সালিহ আল উসাইমিন (রহ.), শায়খ নাসিরুদ্দিন আল আলবানি (রহ.), শায়খ আবু বকর আল জাজায়েরি (রহ.), শায়খ আতিয়্যাহ মুহাম্মদ সালেম (রহ.), মসজিদুল হারামের শিক্ষক শায়খ আবদুল্লাহ আল আজলান (রহ.), মসজিদুল হারামের খতিব শায়খ উসামান খাইয়াত (রহ.)-সহ আরো অনেক আলেমের কাছে ইসলামের উচ্চতর পাঠ গ্রহণ করেন। 

১৪৩৪ হিজরিতে শায়খ বালি দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে দাওয়াতি সফর করেন। তখন তাঁর হাতে দেড় লাখের বেশি মানুষ মুসলিম হন। আফ্রিকা মহাদেশের মালাউই, রুয়ান্ডা, ঘানা, টোগো, বেনিন, উগান্ডা, মোজাম্বিক, বুরুন্ডি, বুর্কিনা ফাসো ও তানজানিয়াসহ প্রায় ১০টি দেশের অসংখ্য মানুষ তাঁর কথা শুনে ইসলামে ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করেন। 

শায়খ বালি আফ্রিকায় মুসলিমদের সেবায় প্রায় ২৯টি ইসলামী সেন্টার স্থাপন করেন। শতাধিক মসজিদ ও এক হাজার তিন শ মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। সবার পানি পানের সুব্যবস্থা করতে শতাধিক কূপ খনন করেন।



সাতদিনের সেরা