kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ শ্রাবণ ১৪২৮। ৫ আগস্ট ২০২১। ২৫ জিলহজ ১৪৪২

মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে আগের চেয়ে বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর পড়ার সুযোগ

অনলাইন ডেস্ক   

৯ জুন, ২০২১ ১৫:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে আগের চেয়ে বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর পড়ার সুযোগ

আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ড. আহমাদ আত তায়্যিব ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলাম।

বিশ্ববিখ্যাত প্রাচীন বিদ্যাপীঠ আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাবৃত্তিতে পড়তে আগের চেয়ে বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সুযোগ পাবেন। আগে সেখানে ১৫ জন শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে পড়তে পারতেন। এখন তা বাড়িয়ে ৫০ জনে উন্নীত করা হয়েছে। 

গত বৃহস্পতিবার (৩ জুন) মিসরের রাজধানী কায়রোতে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান আল ইমামুল আকবার ড. আহমাদ আত তায়্যিবের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

আল-আজহারের প্রধানের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট দূর করতে ছাত্রাবাস নির্মাণের জন্য ক্যাম্পাসে নিজস্ব জমি বরাদ্দের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ছাড়া উভয় পক্ষ আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নসংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।

রাষ্ট্রদূতের অনুরোধে জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে একটি ছাত্রাবাস নির্মাণের জন্য নিজস্ব জমি বরাদ্দের অনুমোদন দেন তিনি। তা ছাড়া বাংলা ভাষা সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বাংলা ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার আবেদন করলে তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন।

করোনা মহামারি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ইমাম প্রশিক্ষণ, ইসলামী স্কলার ও শিক্ষা বিভাগ থেকে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি সফর বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা করেন রাষ্ট্রদূত।

অন্যদিকে, আল-আজহারের আদর্শকে ছড়িয়ে দিতে বাংলাদেশে আল-আজহার ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে বলেও জানিয়েছেন মিসরের এই সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। রাষ্ট্রদূত মনিরুল ইসলামের আমন্ত্রণে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাংলাদেশ সফর করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

বিশ্বে আরবি সাহিত্যের ও ইসলামী শিক্ষার প্রধান কেন্দ্র আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক ও ধর্মীয় বিষয়গুলোতে বর্তমানে পাঁচ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০ শতাংশ বিদেশি।

সেখানে প্রায় ১০২টি দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৪০০-র মতো বাংলাদেশি শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছেন। পাঁচ হাজার ১৫৫টি শ্রেণিকক্ষের বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষক আছেন।



সাতদিনের সেরা