kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

শবেকদরে যে দোয়া পড়বেন

অনলাইন ডেস্ক   

৯ মে, ২০২১ ১৪:১৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শবেকদরে যে দোয়া পড়বেন

পবিত্র রমজান মাসের পুরো সময় বরকতপূর্ণ। আর রমজানের শেষ ১০ দিন সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ। এরমধ্যে লাইলাতুল কদর বা কদরের রাত সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ। কোরআন ও হাদিসে কদরের রাতকে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম বলা হয়েছে। মানবজাতির সম্মানে এ রাতে আকাশের ফেরেশতারা ভূপৃষ্ঠে নেমে আসেন। তাই রাসুল (সা.) সবাইকে রমজানের শেষ ১০ দিনে তা অনুসন্ধান করতে বলেছেন। 

কোরআন অবতীর্ণের রাত : আল্লাহ তাআলা এ রাতে পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ করেছেন। এ রাতে পবিত্র কোরআন লাওহে মাহফুজ থেকে দুনিয়ার আসমানে অবতরণ হয়। আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন অবতীর্ণ করেছি কদরের রাতে। আর আপনি কি জানেন কদরের রাত কি? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। সে রাতে ফেরেশতার রুহ [জিবরাইল (আ.)] অবতীর্ণ হন, প্রত্যেক কাজে তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে। শান্তিই শান্তি সেই রাত, ফজরের সূচনা পর্যন্ত।’ (সুরা : কদর, আয়াত : ১-৫)

হাজার মাসের চেয়ে উত্তম যে রাত : লাইলাতুল কদর একটি মর্যাদাপূর্ণ রাত। মহান আল্লাহ এ রাতে মুসলিম উম্মাহর জন্য অগাধ কল্যাণ রেখেছেন। এ রাতের ইবাদত হাজার মাসের চেয়ে উত্তম হিসেবে বিবেচিত। আল্লাহ তাআলা বলেন, আর আপনি কি জানেন কদরের রাত কি? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। (সুরা : কদর, আয়াত : ৩)

আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদরে ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় নামাজ পড়ে, তার অতীতের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।’ (বুখারি, হাদিস নং : ২০১৪)

আয়েশা (রা.) বলেছেন, ‘রমজানের শেষ দশ দিন শুরু হলে রাসুল (সা.) লাইলাতুল কদর পাওয়ার জন্য পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিতেন। রাত জাগতেন এবং নিজের পরিবার-পরিজনকেও জাগাতেন।’ (বুখারি, হাদিস নং : ২০২৪)

কদরের রাতে পঠিত দোয়া : মহান আল্লাহর কাছে কদরের রাতে দোয়া করা জরুরি। হাদিসে রাসুল (সা.) ওই রাতের পঠিত দোয়া শিখিয়ে দেন। লাইলাতুল কদরের আমল সম্পর্কে আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি যদি লাইলাতুল কদর পেয়ে থাকি তাহলে সে রাতে কী দোয়া করব? জবাবে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তুমি বলবে, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাঅফু আন্নি।’ অর্থাৎ হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করা পছন্দ করেন। সুতরাং আমাকে ক্ষমা করে দিন। (তিরমিজি, হাদিস ৩৫১৩)

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউ-উন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা‘ফু আন্নি।

অর্থ : হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাকারী, তুমি ক্ষমা করতেই ভালোবাসো। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও।

উপকার : আয়েশা (রা.) বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমি যদি কদরের রাত পেয়ে যাই, তবে কী দোয়া পড়ব? তিনি তাঁকে এই দোয়া শিক্ষা দেন। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৮৫০)



সাতদিনের সেরা