kalerkantho

শুক্রবার। ৩১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ মে ২০২১। ০২ শাওয়াল ১৪৪২

যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি সময় রোজা রাখতে হবে

অনলাইন ডেস্ক   

৯ এপ্রিল, ২০২১ ১৬:২৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি সময় রোজা রাখতে হবে

বর্মিংহাম মসজিদ, ব্রিটেন।

গড়ে ১০-২১ ঘণ্টা রোজা : আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের অনেক দেশে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র রমজানের রোজা পালন শুরু হবে। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পৃথিবীরে যেকোনো প্রান্তের মুসলিমরা এ সময় রোজা পালন করবে। অবস্থানের দিক বিবেচনায় ১০ ঘণ্টা থেকে ২১ ঘণ্টা পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের দেশের ধর্মপরায়ণ মুসলিমরা রোজা রাখবেন। 

৩৩ বছর পর একই দিনে রমজান : পবিত্র রমজান মাস প্রতি বছর ১০ থেকে ১২ দিন এগিয়ে আসে। কারণ হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুসারে ইসলামী ক্যালেন্ডার চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে শুরু হয়, যা ২৯ থেকে ৩০ পর্যন্ত দিন পর্যন্ত হয়ে থাকে। তাই আগামী ৩৩ বছর পর অর্থাৎ ২০৫৪ সালে ফের ১৩ এপ্রিলে রমজান মাস শুরু হবে।

সূর্যের অবস্থানে সময়ের পরিবর্তন : অবস্থান হিসেবে দিনের বেলার সময় একেক দেশে একেক রকম হয়ে থাকে। তাই পৃথিবীর সর্ব দক্ষিণের চিলি ও নিউজিল্যান্ডের মতো দেশে অবস্থানরত মুসলিমরা ১১ ঘণ্টা রোজা রাখবেন। এদিকে উত্তরের আইসল্যান্ড দেশে অবস্থানরত মুসলিমরা ১৮ ঘণ্টা বা এর বেশি রোজা রাখাবেন।

যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি সময় রোজা : এ বছর সবচেয়ে বেশি সময় ধরে রোজা রাখবে গ্রিনল্যান্ডের মুসলিমরা। তারা ১৯ ঘণ্টা ৫৭ মিনিট রোজা রাখবেন। এরপর আছে যথাক্রমে আইসল্যান্ড (১৯ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট), ফিনল্যান্ড (১৯ ঘণ্টা ৯ মিনিট), সুইডেন (১৮ ঘণ্টা ৫৮ মিনিট) ও স্কটল্যান্ডের মুসলিমরা (১৮ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট)।

যেসব দেশে সবচেয়ে কম সময় রোজা : সবচেয়ে কম সময় রোজা রাখবেন নিউজিল্যান্ড (১১ ঘণ্টা ২০ মিনিট), চিলি (১১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট), অস্ট্রেলিয়া ও উরুগুয়ে (১১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট), দক্ষিণ আফ্রিকার (১১ ঘণ্টা ৫২ মিনিট) মুসলিমরা।

ছকের সাহায্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রোজার সময় দেখানো হয়েছে।

সূর্যাস্ত না হওয়া দেশে রোজা : পৃথিবীর সর্ব উত্তরের দেশ হিসেবে অনেক দেশে সূর্যাস্ত হয় না। লংগিয়ারবিয়েন ও নরওয়েতে  ২০ এপ্রিল থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত সূর্যাস্ত হবে না। এসব ক্ষেত্রে ইসলামিক স্কলারদের ফতোয়া হলো, সৌদি আরবের মক্কা নগরীর সময় কিংবা নিকটতম মুসলিম দেশের সময় অনুসরণ করবেন। 

বছর ঘুরে উত্তর গোলার্ধে রোজার সময় কমতে থাকে। এই স্থানে রোজার সময় ২০৩২ সাল পর্যন্ত ক্রমাগত কমতে থাকবে। ওই বছর রমজান মাস পুরোপুরি শীতের মধ্যে পড়বে। আর তখনকার সময়টি হবে বছরের সংক্ষিপ্ততম সময়। এরপর পুনরায় রোজার সময় বাড়তে থাকবে এবং গ্রীষ্মের সময়ে এসে পড়বে। ওই সময়টি হবে বছরের দীর্ঘতম সময়।

সূত্র : আল জাজিরা 



সাতদিনের সেরা