kalerkantho

রবিবার। ২৮ চৈত্র ১৪২৭। ১১ এপ্রিল ২০২১। ২৭ শাবান ১৪৪২

তুরস্কের শতবর্ষী নারীর দুই মহামারির অভিজ্ঞতা

অনলাইন ডেস্ক   

২৬ মার্চ, ২০২১ ১৬:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তুরস্কের শতবর্ষী নারীর দুই মহামারির অভিজ্ঞতা

তুরস্কের শতবর্ষী সাফিয়া পেহলিভান।

করোনা মহামারিতে বদলে গেছে পুরো বিশ্বের চিত্র। বদলে গেছে সবার জীবন যাপনের চিত্র। কিন্তু শতবর্ষ পার করা সাফিয়া পেহলিভান দীর্ঘ ১০৬ বছরের জীবেন দুটি বৈশ্বিক মহামারির অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। সৌভাগ্যক্রমে বৈশ্বিক মহামারি ম্যালেরিয়া ও করোনার কোনোটিতে তিনি আক্রান্ত হননি।

সাফিয়া পেহলিভান বর্তমানে তুরস্কের এডির্ন প্রদেশে বসবাস করেন। প্রাচীন গ্রিসে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৫৬ সালে তিনি সপরিবারে তুরস্কে পাড়ি জমান। 

তুরস্কের সংবাদ মাধ্যম আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে সাফিয়া পেহলিভান জানান, ১৯৫০ সালে গ্রিসের ম্যালেরিয়া মহামারির সময় তিনি গ্রিসে বসবাস করতেন। 

মশার কামড়ের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া মানুষের মধ্যে সংক্রমণ হয়। যদিও তা প্রতিরোধ ও নিরাময়যোগ্য, তদুপরি তা এখনও একটি প্রাণঘাতী রোগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আফ্রিকা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। 

সাধারণত ঠাণ্ডা, সর্দি ও জ্বর থেকে মানুষের মধ্যে ম্যালেরিয়া সংক্রমিত হয়। তা অনেকটা করোনা মহামারির মতো সবার মধ্যে সংক্রমিত হয়। করোনা মহামারি থেকে নিরাপদ থাকতে সুরক্ষামূলক সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলেন শতবর্ষী নারী। 

সুস্থ জীবন যাপনে সাফিয়া পেহলিভান স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করেন। দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া ও খুবই ভোরে ঘুম থেকে উঠতে অভ্যস্ত তিনি। তা ছাড়া প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলেন। আর দীর্ঘজীবনের জন্য সব সময় চাপ পরিহারের পরামর্শ দেন। 

মহামারি থেকে সবার বিশেষত চিকিৎসাকর্মীদের সুরক্ষার জন্য মহান আল্লাহর কাছে বিশেষভাবে প্রার্থনা করেন।
সূত্র : ডেইলি সাবাহ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা