kalerkantho

সোমবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭। ১ মার্চ ২০২১। ১৬ রজব ১৪৪২

তিন বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারের সঙ্গে উইঘুর মুসলিম

অনলাইন ডেস্ক   

১১ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৫:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিন বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারের সঙ্গে উইঘুর মুসলিম

সাদাম আবদুস সালাম ও তাঁর স্ত্রী নাদিলা উমাইর

চীনের উইঘুর বংশোদ্ভূত এক মুসলিম তরুণ তিন বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারে সঙ্গে মিলিত হয়েছেন। বেইজিং সরকার তাঁকে জিনজিয়াং ত্যাগের অনুমোদন দিলে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান সাদাম আবদুস সালাম। উভয় দেশের মধ্যে দীর্ঘ কূটনৈতিক আলাপের পর পরিবারকে চীন ত্যাগের অনুমতি দেওয়া হয়।

আজ শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে পৌঁছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেন সালাম। তাঁর সাহায্যে এগিয়ে আসায় অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেরিস পেইন ও মানবাধিকার কর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

আবদুস সালাম লিখেন, ‘আমি কখনো কল্পনা করিনি যে এমন আবার ফিরে আসবে। যারা আমাদের একত্রিত করতে কাজ করেছে আমি তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’

২০১৭ সালে চীন সরকার বাজপোর্ট বাজেয়াপ্ত করে আবদুস সালামের স্ত্রী নাদিলা উমাইর ও তাঁর সন্তানকে জিনজিয়াং ত্যাগে বাধা দেয়। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ার মানবাধিকার কর্মীরা আইনি পক্রিয়ার মাধ্যমে তা সুরাহা করে।

প্রায় এক দশক আগে আবদুস সালাম অস্ট্রেলিয়া শিক্ষার্থী হিসেবে যায়। ২০১৬ সালে জিনজিয়াং এসে উমাইরের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। ২০১৩ সালে আবদুস সালাম অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব লাভ করে।

তাদের সন্তান লুফতি জিনজিয়াংয়ে জন্মগ্রহণ করেন। ২০১৯ সালে সেও অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব লাভ করে। অবশ্য এজন্য আবদুস সালামকে অস্ট্রেলিয়া সরকারের শরণাপন্ন হতে হয়।

জিনজিয়াংয়ে উইঘুর মুসলিমদের ওপর স্বাধীন চলাফেরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও নির্বিচারে আটক করায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে চীনের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানানো হয়। মানবাধিকার কাউন্সিলে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র ছিল।

মানবাধিকার কর্মীরা জানায়, প্রায় ১০ লাখ উইঘুরম মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বিশেষ বন্দী শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়। অবশ্য শিবিরকে কারিগরি শিক্ষাকেন্দ্র বলে আখ্যায়িত করে আসছে, যেখানে উইঘুর মুসলিমরা নানা বিষয়ে নিত্য-নতুন যোগ্যতা অর্জন করবে।

সূত্র : বিবিসি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা