kalerkantho

বুধবার । ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৫ নভেম্বর ২০২০। ৯ রবিউস সানি ১৪৪২

লিবিয়ার যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানায় সৌদি ও আমিরাত

অনলাইন ডেস্ক   

২৪ অক্টোবর, ২০২০ ১৪:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লিবিয়ার যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানায় সৌদি ও আমিরাত

আরব সেনাবাহিনী প্রতিনিধি প্রধান আহামিদ মোহামেদ আলামামি ও জিএনএ-এর সামরিক প্রতিনিধি প্রধান আহমদ আলি আবু সাহমা

লিবিয়ায় বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে সৌদি আরব, আরব আমিরাত ও মিশর।

গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে পাঁচ দিনব্যাপী আলোচনা শেষে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। জাতিসংঘ দূতের মধ্যস্থতায় ত্রিপোলিভিত্তিক সরকার গভর্নর অব ন্যাশনাল অ্যাকর্ড (জিএনএ) ও খলিফা হাফতারের লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ)-এর মধ্যে চুক্তি হয়।

যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, জাতিসংঘের সহায়তায় লিবিয়ার বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে আমরা স্বাগত জানাই।’

লিবিয়ার অগ্রগতি ও ‍উন্নতি প্রত্যাশা করে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সৌদি আরবের প্রত্যাশা, স্থায়ী যুদ্ধবিরতির এই চুক্তি লিবিয়ার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সাফল্য বয়ে আনবে। এবং লিবিয়াবাসীর জন্য শান্তি, নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতায় নতুন যুগের সূচনা করবে।’

এদিকে আরব আমিরাত পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এক বিবৃতি জানায়, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শান্তি, অগ্রগতি ও উন্নতির পথে লিবিয়ার জনসাধারণের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করে ভবিষ্যত গড়তে এই চুক্তি সহায়তা করবে। বার্লিন শীর্ষ সম্মেলন, কায়রো ঘোষণা ও স্কিরাট চুক্তির পর এটি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেবে লিবিয়াকে।’

মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ সিসি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে এক টুইট বার্তায় লিখেন, ‘লিবিয়ায় সরকার ও জনপ্রতিনিধির মধ্যে সম্পাদিত যুদ্ধ বিরতি চুক্তিকে আমি স্বাগত জানাই।’

যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানান গালফ কাউন্সিলের মহাসচিব নায়েফ আল হাজরাফ। যুদ্ধ বিরতি চুক্তি লিবিয়ার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে আশা প্রকাশ করেছেন আল হাজরাফ।

লিবিয়ায় নিযুক্ত জাতিসংষের দূত স্টিফানি তুর্কো উইলিয়াম এই চুক্তিকে দেশটির জনগনের জন্য আশাব্যঞ্জক বলে অবিহিত করেন। চুক্তি বাস্তবায়নের ফলে লিবিয়ার বাস্তুচ্যুত জনগন নিজ ঘরে ফিরতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। দুই পক্ষের আলোচনায় মধ্যস্থতা করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ন্যাটো সমর্থিত বাহিনীর অভিযানে ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হন লিবিয়ার সাবেক শাসক কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি। এরপর থেকে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ ও সহিংসতা চলে আসছে। বিবদমান পক্ষের মধ্যে জাতিসংঘ সমর্থিত জিএনএ-এর নিয়ন্ত্রণে আছে রাজধানী ত্রিপোলিসহ আশপাশের এলাকা। অন্যদিকে জেনারেল হাফতারের এলএনএ-এর নিয়ন্ত্রণে আছে বেনগাজিসহ দেশটির পূর্বাঞ্চল।

সূত্র : দ্য আরব উইকলি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা