kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩ ডিসেম্বর ২০২০। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২

শান্তি চুক্তির পর পুনরায় ইসরায়েলের বসতি স্থাপনের ঘোষণা

পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনের ঘোষণা, ফিলিস্তিন ও জর্দানের প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক   

১৫ অক্টোবর, ২০২০ ১৭:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনের ঘোষণা, ফিলিস্তিন ও জর্দানের প্রতিবাদ

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে পুনরায় বসতি স্থাপনের ঘোষণায় তী্রব প্রতিবাদ জানিয়েছে ফিলিস্তিন ও জর্দান।

বসতি স্থাপনের ঘোষণা আরব-ইসরায়েল শান্তি চুক্তি বাস্তবায়য়ে বিঘ্নতা তৈরি করবে জানায় ইসরায়েলের সেবা সংস্থা পিস নাও। তাছাড়া আরব আমিরাত ও ইসরায়েল স্বাভাবিক সম্পর্ক চুক্তি স্বাক্ষরের এক মাসের মাথায় ঘোষণাটি আসে। অথচ চুক্তিকালে ইসরায়েলের পশ্চিম তীর সংযুক্তিকরণ স্থগিত থাকার বলেছিল আবুধাবি।

গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) ইসরায়েলের পরিকল্পনা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান সুপ্রিম প্ল্যানিং কাউন্সিল এ ঘোষণা দেয়। এতে দুই হাজারের অনুমোদন হলেও কাউন্সিলের পক্ষ থেকে প্রায় চার হাজার বসতি স্থাপনের আশা করা হয়।

আন্তর্জাতিক আইনে ইসরায়েলের বসতি স্থাপন অবৈধ। ফিলিস্তিনসহ আন্তর্জাতিক সংস্থা দেশ ‍দুটির মধ্যে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের কথা বললেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

ইসরায়েলের বেসরকারি সেবা সংস্থা পিস নাও জানায়, ‘ইসরায়েলের পুনরায় বসতি স্থাপন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ও ইসরায়েল-আরব শান্তি চুক্তিকে বাধাগ্রস্ত করবে। এটি ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী বেনয়ামিন নেতানিয়াহুর পশ্চিম তীরে পুনরায় বসতি স্থাপনে মনোযোগী হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।’

পশ্চিম তীরে পুনরায় বসতি স্থাপনের ঘোষণার তীব্র নিন্দা জানায় ফিলিস্তিন প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র আবু রাদিনাহ। আবু রাদিনাহ জানান, ইসরায়েলের ঘোষণাটি আন্তর্জাতিক নীতিমালা লঙ্ঘনের শামিল। ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব পুরোপুরি অবৈধ।’

তিনি আরো জানান, ‘ট্রাম প্রশাসনের দখলদারিত্বের অনুমোদন, অন্তসার শূণ্য স্বাভাবিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতার সুযোগে বসতি স্থাপন রাজনীতির মাধ্যমে নেতানিয়াহু সরকার ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডকে আত্মসাতের অপচেষ্টা করছে।’

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নেতানিয়াহু সরকারের ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব বন্ধের দাবী জানান তিনি। এছাড়া ১৯৬৭ সালের সীমারেখায় জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন গঠন সার্বজনীন শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার দাবী জানান ফিলিস্তিন প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র আবু রাদিনাহ।

এদিকে বসিত স্থাপনের ঘোষণায় প্রতিবাদ জানিয়ে জর্দানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এটিকে ‘আন্তর্জাতিক নীতিমালা ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের আইন লঙ্ঘন’ এবং আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রীয় নীতিমালার ভিত্তিতে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের সুযোগ বিনষ্ট করা’ বলে উল্লেখ করে।

সূত্র : আল জাজিরা

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা